আশকনার দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা নিরসনে দ্রুত সড়ক সংস্কারের আশ্বাস এমপি জাহাঙ্গীরের

Sanchoy Biswas
নিজস্ব পতিবেদক
প্রকাশিত: ৪:৩৪ অপরাহ্ন, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ | আপডেট: ৫:৫৪ অপরাহ্ন, ২২ জুন ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

ঢাকা-১৮ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন বলেছেন, জলাবদ্ধতা নিরসনকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে দক্ষিণখানের আশকোনা এলাকার সড়ক সংস্কার কাজ দ্রুততার সঙ্গে সম্পন্ন করা হবে। আগামী বর্ষার আগেই চলমান উন্নয়নকাজ শেষ করার আশ্বাস দেন তিনি।

শনিবার সকালে আশকোনা এলাকার বিভিন্ন সড়কের দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা সাধারণ  মানুষের  ভোগান্তি  সৃষ্ট সড়ক সরেজমিনে পরিদর্শনে যান। এ সময় ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক, পানি নিষ্কাশনের পথ এবং ড্রেনেজ ব্যবস্থার অবস্থা ঘুরে দেখেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।

আরও পড়ুন: কাপাসিয়ায় পূবালী ব্যাংক শাখার দুই দিনব্যাপী ক্যাশলেস ক্যাম্পেইন শুরু

পরিদর্শনকালে তিনি বলেন, ৫ তারিখের পর থেকে আমি এই এলাকার সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছি। আমি এমপি হই বা না হই—একজন রাজনৈতিক কর্মী ও সাধারণ মানুষ হিসেবে জনগণের ভোগান্তি নিরসনে সব সময় পাশে থাকার অঙ্গীকার করেছি এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত থাকবে।”

তিনি আরও বলেন, জলাবদ্ধতার অন্যতম কারণ অপরিকল্পিত বর্জ্য ফেলা ও ড্রেন দখল। তাই উন্নয়ন কাজের পাশাপাশি জনসচেতনতা বাড়ানোর ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি। “আমাদের নিজেদেরও সচেতন হতে হবে। সবাই মিলে কাজ করলে সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব,” যোগ করেন তিনি।

আরও পড়ুন: ধানমন্ডি ও হাতিরপুলে ডিএসসির মোবাইল কোর্ট অভিযান, ২৪ মামলায় ২৫ হাজার ২০০ টাকা জরিমানা

দক্ষিণখান থানাধীন আশকোনা এলাকার দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা সমস্যার দ্রুত ও স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন-এর অঞ্চল-৭ এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী প্রকৌশলীদের সঙ্গে নিয়ে তিনি সমস্যাকবলিত স্থানগুলো পরিদর্শন করেন। এ সময় সড়ক উঁচুকরণ, ড্রেন সম্প্রসারণ এবং পানি নিষ্কাশনের বিকল্প পথ তৈরির বিষয়ে আলোচনা হয়।

স্থানীয় বাসিন্দারা দীর্ঘদিনের ভোগান্তির কথা তুলে ধরে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। তারা বলেন, সামান্য বৃষ্টিতেই সড়ক ডুবে যায়, ফলে চলাচল ব্যাহত হয় এবং স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী ও কর্মজীবী মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েন।

এ বিষয়ে সংসদ সদস্য সংশ্লিষ্ট প্রকৌশল বিভাগকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করার নির্দেশ দেন।