দেশের সব বন্দর ২৪ ঘণ্টা চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

Sanchoy Biswas
বাংলাবাজার রিপোর্ট
প্রকাশিত: ৬:৩৮ অপরাহ্ন, ০১ অগাস্ট ২০২৬ | আপডেট: ৭:৪১ অপরাহ্ন, ০১ অগাস্ট ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

ব্যবসা-বাণিজ্য সহজীকরণ এবং আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে দেশের সব সমুদ্র, স্থল ও বিমানবন্দর ২৪ ঘণ্টা চালু রাখার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শনিবার (১ আগস্ট) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী ও শিল্পোদ্যোক্তাদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে তিনি এ নির্দেশনা দেন।

আরও পড়ুন: সমন্বিত প্রচেষ্টায় ৪-৫ বছরে অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তনের আশা

বৈঠক শেষে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র ড. মাহদী আমিন সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, বৈঠকে বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিরা চট্টগ্রাম বন্দর এবং ঢাকা বিমানবন্দরসহ দেশের আমদানি-রপ্তানিসংশ্লিষ্ট বন্দরগুলোতে ২৪ ঘণ্টা কার্যক্রম চালুর প্রস্তাব তুলে ধরেন।

আরও পড়ুন: চীনের নেতৃত্বাধীন বৈশ্বিক এআই জোটে যুক্ত হচ্ছে বাংলাদেশ

এর পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করে দেশের প্রতিটি বন্দরে ২৪ ঘণ্টা সেবা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন। সরকারের আশা, এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমের গতি বাড়বে, পণ্য খালাসের সময় কমবে এবং ব্যবসায়িক ব্যয় হ্রাস পাবে।

ড. মাহদী আমিন জানান, দীর্ঘ সময় ধরে অনুষ্ঠিত বৈঠকে বেসরকারি খাতের বিভিন্ন সমস্যা, বিনিয়োগ পরিবেশ, শিল্পায়ন, ব্যবসা সম্প্রসারণ এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে আরও গতিশীল করার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) এবং বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষের (বেপজা) আওতাধীন অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোতে কীভাবে আরও বেশি দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা যায় এবং বিদ্যমান প্রশাসনিক জটিলতা কীভাবে কমানো যায়, সে বিষয়েও মতবিনিময় হয়েছে।

বৈঠকে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা এবং বিভিন্ন সরকারি সংস্থার প্রধানরাও অংশ নিয়ে নিজ নিজ মতামত তুলে ধরেন।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, সরকার বেসরকারি খাতের বিকাশে নীতিগত সহায়তা অব্যাহত রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি, ব্যবসা পরিচালনা সহজ করা এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে ইতোমধ্যে ব্যবসাবান্ধব বাজেটসহ বিভিন্ন নীতি গ্রহণ করা হয়েছে, যা পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে।

তিনি আরও জানান, বৈঠকে ব্যবসায়ীদের উত্থাপিত বিভিন্ন নীতিগত প্রস্তাবের বিষয়ে তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত দেওয়ায় তারা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। সরকারের লক্ষ্য ব্যবসা পরিচালনা সহজ করা, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা।