কায়েতপাড়ায় বৃক্ষরোপণ ও উন্নয়নকাজ পরিদর্শনে ডিএসসিসি প্রশাসক
ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুস সালাম খিলগাঁওয়ের কায়েতপাড়া এলাকার ৭৫ নম্বর ওয়ার্ডে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি ওই এলাকার চলমান উন্নয়নমূলক কাজ সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।
বুধবার (১২ আগস্ট) আয়োজিত কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডিএসসিসি প্রশাসক। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন রেলপথ এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রহমান হাবিব।
আরও পড়ুন: শারদীয় দুর্গাপূজায় ডিএসসিসির ১৬৮ মণ্ডপে ১৯ লাখ ৮০ হাজার টাকা অনুদান
পরিদর্শনকালে ডিএসসিসি প্রশাসক বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমের অগ্রগতি, রাস্তাঘাট, আশপাশের পরিবেশ এবং চলমান উন্নয়ন প্রকল্পের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন। এ সময় এলাকার পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, রোপণ করা গাছের যথাযথ পরিচর্যা এবং চলমান উন্নয়নকাজের গুণগত মান নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।
স্থানীয় বাসিন্দাদের নাগরিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে মাঠপর্যায়ে এ ধরনের তদারকি নিয়মিত অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।
আরও পড়ুন: বাসে ওঠার সময় মোবাইল ছিনতাই, ট্রাফিক পুলিশের তৎপরতায় আটক যুবক
অনুষ্ঠানে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, স্থানীয় নাগরিক ও জনপ্রতিনিধিদের চাহিদার সমন্বয় করে নতুন যুক্ত হওয়া এলাকাগুলোর উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রাধিকার নির্ধারণ করা হবে। পর্যায়ক্রমে সড়কবাতি, আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও উন্নত যোগাযোগব্যবস্থা গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
নতুন যুক্ত হওয়া এলাকার বাসিন্দাদের কর মওকুফের আবেদনের বিষয়ে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, নাগরিকদের দেওয়া করের সঙ্গে সরকারি বরাদ্দ যুক্ত করেই এলাকার উন্নয়নকাজ পরিচালনা করা হয়। তাই কর না দিলে উন্নয়নকাজ বাধাগ্রস্ত হবে। তবে একেবারেই অসচ্ছল নাগরিকদের বিষয়টি আলাদাভাবে বিবেচনা করা যেতে পারে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রহমান হাবিব এলাকার সার্বিক উন্নয়নে রাস্তাঘাট, ড্রেনেজ ব্যবস্থা, কালভার্ট ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসংক্রান্ত বিদ্যমান সমস্যাগুলোর একটি তালিকা ডিএসসিসি প্রশাসকের কাছে হস্তান্তরের কথা জানান।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন দ্রুত এসব সমস্যার কার্যকর সমাধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।
বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও উন্নয়নকাজ পরিদর্শনের সময় স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন পর্যায়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।





