প্রাথমিকে সংগীত শিক্ষক নিয়োগ বাতিলের দাবি, ঢাবিতে সংবাদ সম্মেলন
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সংগীত শিক্ষক নিয়োগের সরকারি সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবি জানিয়েছে ‘আজাদী আন্দোলন’ নামের একটি সংগঠন। তাদের অভিযোগ, এ উদ্যোগ দেশের মুসলিম শিশুদের ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষার সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৪টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির পক্ষ থেকে এ দাবি জানানো হয়। এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনের মুখপাত্র ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মুহাম্মদ শাহরীয়ার আলম।
আরও পড়ুন: ডাকসু নেতা মুসাদ্দিককে হুমকি ছাত্রদল নেতার!
লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, মুসলিম-প্রধান দেশে প্রাথমিক স্তরে সংগীত শিক্ষার প্রসার ধর্মীয় মূল্যবোধের পরিপন্থী। কুরআন ও হাদিসের উদ্ধৃতি দিয়ে বক্তারা দাবি করেন, ইসলামে গান-বাজনা অনুমোদিত নয় এবং শিশুদের নৈতিক শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।
সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, উপমহাদেশে ব্রিটিশ আমল থেকেই মুসলমানদের ধর্মীয় শিক্ষা থেকে দূরে সরানোর একটি প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়। সংগঠনটির দাবি, বর্তমান সংগীত শিক্ষক নিয়োগের উদ্যোগও সেই ধারাবাহিকতার অংশ।
আরও পড়ুন: জ্বালানি সংকটে জবিতে সপ্তাহে একদিন অনলাইন ক্লাস
এ সময় সংগঠনটি জানায়, বিষয়টি নিয়ে তারা বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাদের কাছে চিঠি পাঠাবে। পাশাপাশি হেফাজতে ইসলামসহ ইসলামী দলগুলোর প্রতি এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
সংগঠনটির নেতারা বলেন, অবিলম্বে সংগীত শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম বন্ধ না করা হলে তারা আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করবেন।





