যেভাবে দেখা যাবে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল
সব ঠিক থাকলে আগামী ১০ জুলাই চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হবে।
সোমবার (৭ জুলাই) ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক এবং আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক উপকমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার এ তথ্য জানান।
আরও পড়ুন: জাতীয় কবি’র ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত
সাধারণত পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর ৬০ দিনের মধ্যে ফলাফল প্রকাশ করা হয়ে থাকে। সে হিসেবে চলতি মাসের ১২ তারিখের মধ্যে ফলাফল প্রকাশিত হওয়ার কথা।
তবে এখনও ফল দেখার পদ্ধতির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না এলেও বোর্ড কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এবারও ফল দেখার নিয়মে কোনো পরিবর্তন আসছে না। আগের নিয়ম অনুযায়ীই শিক্ষার্থীরা অনলাইনে ও এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানতে পারবেন।
আরও পড়ুন: গবেষণায় অবদানের স্বীকৃতি, ঢাবির ৬২ শিক্ষক-গবেষককে সম্মাননা
যেভাবে ফল দেখবেন
এসএসসি ও সমমনা পরীক্ষার ফলাফল দেখা যাবে শিক্ষা বোর্ডের নির্ধারিত ওয়েবসাইট www.educationboardresults.gov.bd-তে গিয়ে। সেখানে নির্দিষ্ট তথ্য দিয়ে ফলাফল দেখা যাবে।
এছাড়াও ফল জানা যাবে এসএমএসের মাধ্যমে। সে ক্ষেত্রে মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে SSC লিখে স্পেস দিয়ে ইংরেজিতে বোর্ডের প্রথম তিন অক্ষর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর দিতে হবে। এরপর স্পেস দিয়ে পরীক্ষার বছর লিখে 16222 নম্বরে পাঠাতে হবে। (উদাহরণ-SSC DHA ROLL YEAR)। ফিরতি মেসেজে ফল জানিয়ে দেওয়া হবে।
মাদরাসা
এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানতে হলে প্রি-রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। প্রি-রেজিস্ট্রেশনের নিয়ম হলো: Dakhil লিখে স্পেস দিয়ে MAD লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর এবং সাল লিখে 16222 নম্বরে পাঠাতে হবে। উদাহরণ: Dakhil MAD 123456 2025। ফল প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গেই প্রি-রেজিস্টার করা নম্বরে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফল পৌঁছে যাবে।
কারিগরি
কারিগরি বোর্ডের ফল জানতে হলে টাইপ করতে হবে: SSC স্পেস TEC স্পেস রোল নম্বর স্পেস 2025 এবং পাঠাতে হবে 16222 নম্বরে।
এ ছাড়া শিক্ষার্থীরা চাইলে সংশ্লিষ্ট বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে ফলাফলসহ রেজাল্ট শিট ডাউনলোড করতে পারবেন। আর প্রতিষ্ঠানভিত্তিক ফলাফল দেখতে হলে বোর্ডের ওয়েবসাইটে গিয়ে EIIN নম্বর দিয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানভিত্তিক রেজাল্ট শিট ডাউনলোড করা যাবে।
প্রসঙ্গত, এবার সাধারণ ৯টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন ১৪ লাখ ৯০ হাজার ১৪২ জন। এ ছাড়া মাদরাসা বোর্ডের অধীনে দাখিলে অংশ নেন ২ লাখ ৯৪ হাজার ৭২৬ জন। আর কারিগরি বোর্ডের অধীনে পরীক্ষার্থী ছিলেন ১ লাখ ৪৩ হাজার ৩১৩ জন।





