নবনিযুক্ত কৃষিমন্ত্রীর সাথে কুড়িকৃবি উপাচার্যের সৌজন্য সাক্ষাৎ ও শুভেচ্ছা বিনিময়

Sanchoy Biswas
বাংলাবাজার রিপোর্ট
প্রকাশিত: ১০:১৫ অপরাহ্ন, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ | আপডেট: ১০:১৫ অপরাহ্ন, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ-এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মুহঃ রাশেদুল ইসলাম।

গত ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে মন্ত্রীর নিজ বাসভবনে অনুষ্ঠিত এ সাক্ষাতে কৃষি খাতের উন্নয়ন, গবেষণা সম্প্রসারণ ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

আরও পড়ুন: আলোচিত ডাকসু ভিপি প্রার্থী শামীম হোসেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক পদে নিয়োগপ্রাপ্ত

সাক্ষাৎকালে উপাচার্য “কৃষক কার্ড” কর্মসূচিসহ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষিত কৃষিবান্ধব উদ্যোগগুলোর প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, কৃষক কার্ডের মাধ্যমে প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকরা সহজে ভর্তুকি, প্রণোদনা ও আর্থিক সহায়তা পাবেন, যা উৎপাদন বৃদ্ধি ও জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

কৃষিমন্ত্রী উত্তরবঙ্গের বিস্তৃত চরাঞ্চলের কৃষি উন্নয়নে গবেষণাভিত্তিক উদ্যোগ গ্রহণের ওপর জোর দেন। নদীভাঙন, বন্যা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগপ্রবণ এলাকায় টেকসই অর্গানিক কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তোলা, লবণাক্ততা ও জলাবদ্ধতা সহনশীল ফসলের জাত উদ্ভাবন, আধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতির সম্প্রসারণ ও কৃষি যান্ত্রিকীকরণে কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়কে অগ্রণী ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি।

আরও পড়ুন: অধ্যাপনায় ফিরলেন সদ্য সাবেক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল

উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে একটি ‘চর ইনস্টিটিউট’ স্থাপনের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরলে মন্ত্রী প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা প্রণয়নের নির্দেশনা দেন এবং সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন।

উল্লেখ্য, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও কীটতত্ত্ববিদ প্রফেসর ড. মুহঃ রাশেদুল ইসলাম ২ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখে কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে যোগদান করেন। তার নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম শিক্ষা কার্যক্রম চালু হয় এবং বর্তমানে তিনটি ব্যাচের পাঠদান কার্যক্রম চলছে।

বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম দুটি ভাড়াকৃত ভবনে পরিচালিত হচ্ছে। এখানে সুসজ্জিত কম্পিউটার ল্যাব, লাইব্রেরি ও ব্যবহারিক ল্যাব রয়েছে। শিক্ষার্থীদের জন্য অস্থায়ী ছাত্র ও ছাত্রী হলের পাশাপাশি নামাজ, খেলাধুলা ও নিরাপত্তা সুবিধাও নিশ্চিত করা হয়েছে।

২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে কেন্দ্রীয় কৃষিগুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার কেন্দ্র হিসেবে কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়কে অনুমোদন দেওয়া হয়, যা উত্তরবঙ্গের শিক্ষার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

এছাড়া দেশ-বিদেশের বিভিন্ন কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। সম্প্রতি সাউথ ইস্ট ব্যাংক পিএলসি-এর বিশেষ CSR তহবিল থেকে চরাঞ্চলে কৃষি গবেষণার জন্য আর্থিক সহায়তা পেয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়টি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণের জন্য ফিজিবিলিটি স্টাডি চলমান রয়েছে এবং ডিপিপি অনুমোদন প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানা গেছে।