নবম পে স্কেল নিয়ে বড় পরিবর্তনের আভাস, কার্যকর হতে পারে ১ জুলাই থেকে

Sanchoy Biswas
বাংলাবাজার রিপোর্ট
প্রকাশিত: ৫:০১ অপরাহ্ন, ২৯ মে ২০২৬ | আপডেট: ৫:০১ অপরাহ্ন, ২৯ মে ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য দীর্ঘদিনের আলোচিত নবম জাতীয় বেতন কাঠামো আগামী ১ জুলাই থেকে কার্যকর হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। নতুন এ পে স্কেলের আওতায় আধা-স্বায়ত্তশাসিত ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও অন্তর্ভুক্ত থাকবেন।

বিশেষ করে নিম্ন আয়ের কর্মচারীদের আর্থিক অবস্থার উন্নয়ন এবং বিভিন্ন গ্রেডের মধ্যে দীর্ঘদিনের বেতন বৈষম্য কমিয়ে আনাই সরকারের এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য বলে জানা গেছে।

আরও পড়ুন: শাহজালাল বিমানবন্দর ইউনিট কল্যাণ কমিটির নতুন নেতৃত্ব নির্বাচিত

গত ২১ মে সচিবালয়ে নবম জাতীয় পে স্কেল চূড়ান্ত করতে গঠিত সচিব কমিটির এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রস্তাবিত কাঠামোয় উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের তুলনায় নিম্নস্তরের কর্মচারীদের বেতন বৃদ্ধি ও অতিরিক্ত সুবিধা নিশ্চিত করার বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া বিভিন্ন গ্রেডের মধ্যে বিদ্যমান বেতনের ব্যবধান কমাতে একাধিক সুপারিশও উপস্থাপন করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে পুতিনের অভিনন্দন

নতুন জাতীয় বেতন কাঠামোর আওতায় প্রশাসন ও মাঠপর্যায়ের কর্মী, শিক্ষক, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, স্বাস্থ্যসেবাকর্মী এবং বিচার বিভাগের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। একই সঙ্গে স্বায়ত্তশাসিত ও আধা-স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের জন্য পৃথক সমন্বিত নীতিমালাও প্রণয়ন করা হচ্ছে, যাতে তারা সমভাবে নতুন পে স্কেলের সুবিধা ভোগ করতে পারেন।

নতুন বেতন কাঠামোর সঙ্গে অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পেনশন ব্যবস্থাতেও উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের প্রস্তাব এসেছে। বিশেষ করে কম পেনশনভোগীদের সুবিধা বাড়ানোর বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

সচিব কমিটির বৈঠকে ২০ হাজার টাকার কম পেনশন পাওয়া ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত পেনশন বৃদ্ধির বিষয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে। ফলে নতুন পে স্কেল কার্যকর হলে স্বল্প পেনশনভোগীরাই সবচেয়ে বেশি সুবিধা পেতে পারেন।

আগামী ১ জুলাইয়ের মধ্যে নতুন পে স্কেল কার্যকর করার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলো দ্রুত কাজ করছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নতুন এ বেতন কাঠামো বাস্তবায়িত হলে নিম্ন আয়ের কর্মচারীদের জীবনযাত্রার মান উন্নত হবে এবং সরকারি চাকরিতে বিদ্যমান বৈষম্য কমাতে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।