তহবিল সংকটে ফিলিস্তিনে খাদ্য সহায়তা স্থগিত করছে জাতিসংঘ

Shakil
বাংলাবাজার পত্রিকা ডেস্ক
প্রকাশিত: ৪:২৫ অপরাহ্ন, ০৮ মে ২০২৩ | আপডেট: ১০:২৫ পূর্বাহ্ন, ০৮ মে ২০২৩
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

তহবিলের তীব্র ঘাটতির কারণ দেখিয়ে আগামী মাস থেকে ফিলিস্তিনিদের খাদ্য সহায়তা বন্ধ করতে যাচ্ছে জাতিসংঘের খাদ্য সহায়তাকারী সংস্থা বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি)। এর ফলে দুই লাখ ফিলিস্তিনি মারাত্মক খাদ্য সংকটের মুখে পড়তে পারেন। এক প্রতিবেদনে সংস্থাটির দায়িত্বপ্রাপ্ত জ্যেষ্ঠ এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে রোববার (৭ মে) এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।

খাদ্য সহায়তা পাওয়া সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর অবস্থান গাজা এবং পশ্চিম তীরে। এসব জায়গায় গরিব মানুষের সংখ্যা অনেক। আছে খাদ্যনিরাপত্তা নিয়ে ঝুঁকি ও উদ্বেগ।

আরও পড়ুন: ফোনালাপ ফাঁস, ক্ষমতাচ্যুত হলেন থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

সামের আবদেলজাবের (ডব্লিউএফপির কান্ট্রি ডিরেক্টর) জেরুজালেম থেকে ফোনে রয়টার্সকে বলেছেন, ‘তীব্র তহবিলের ঘাটতির কারণে বেদনাদায়ক এই বিকল্প বেছে নিতে বাধ্য হয়েছে ডব্লিউএফপি।’ তিনি বলেন, ‘আগামী জুন মাস থেকে ডব্লিউএফপিকে ২ লাখেরও বেশি মানুষকে সহায়তা প্রদান স্থগিত করা শুরু করতে হবে। যা এই সংস্থাটির বর্তমান সহায়তাপ্রাপ্ত জনগোষ্ঠীর ৬০ শতাংশ।’

ডব্লিউএফপির দুই ধরনের সহায়তা প্যাকেজ রয়েছে দরিদ্র ফিলিস্তিনিদের জন্য। জনপ্রতি ১০.৩০ মার্কিন ডলার মূল্যের মাসিক ভাউচার এবং খাবারের প্যাকেট সহায়তা হিসেবে দিয়ে থাকে। এখন তহবিলের ঘাটতির কারণে এ দুই ধরনের প্যাকেজ থেকে বঞ্চিত হবেন বহু ফিলিস্তিনি।

আরও পড়ুন: ট্রাম্পের বিরুদ্ধে মামলা করলেন ফেড গভর্নর লিসা কুক

আবদেলজাবের আরো জানান, গাজা ও পশ্চিম তীরের ১ লাখ ৪০ হাজার মানুষকে ত্রাণ সহায়তা দেওয়া চালু রাখবে সংস্থাটি।

গাজা হামাসের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে ২০০৭ সাল থেকে। সেখানে ২৩ লাখ ফিলিস্তিনির বাস। তাদের মধ্যে ৪৫ শতাংশ বেকার এবং ৮০ শতাংশ আন্তর্জাতিক সহায়তার ওপর সমপূর্ণ নির্ভরশীল। এসব তথ্য ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ ও জাতিসংঘ সূত্রে জানা গেছে।