রোহিঙ্গাদের জন্য যুক্তরাজ্যের নতুন ২৭ মিলিয়ন পাউন্ড সহায়তা প্যাকেজ

Sadek Ali
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১০:১৬ অপরাহ্ন, ০১ অক্টোবর ২০২৫ | আপডেট: ১০:১৬ অপরাহ্ন, ০১ অক্টোবর ২০২৫
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের জন্য ২৭ মিলিয়ন পাউন্ডের মানবিক সহায়তা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে যুক্তরাজ্য। এ সহায়তার আওতায় কক্সবাজার ও আশপাশের এলাকায় থাকা পাঁচ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থী এবং ঝুঁকিপূর্ণ স্থানীয় জনগোষ্ঠী সরাসরি উপকৃত হবেন।

ঢাকায় ব্রিটিশ হাইকমিশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মিয়ানমারে রোহিঙ্গা ও অন্যান্য সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর পরিস্থিতি নিয়ে জাতিসংঘের উচ্চপর্যায়ের সম্মেলনে এই সহায়তার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: নেপাল-তিব্বত সীমান্তে নতুন করে উপচে পড়ল হ্রদ, প্রাণে বাঁচতে ফের ছুটছে মানুষ

এই প্যাকেজের আওতায় রোহিঙ্গাদের জন্য খাদ্য, বাসস্থান, বিশুদ্ধ পানি, স্যানিটেশন, স্বাস্থ্যসেবা এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় পরিষেবা সরবরাহ করা হবে। পাশাপাশি ১ লাখ ৭৫ হাজার নারী ও কিশোরী যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা পাবেন। যৌন ও শারীরিক সহিংসতায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনেও এই সহায়তা ব্যবহার হবে।

ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইভেট কুপার বলেন, “এ অর্থায়ন সরাসরি মাঠ পর্যায়ে জীবনমান উন্নয়নে সহায়তা করবে। খাদ্য, আশ্রয়, বিশুদ্ধ পানি ও জীবনরক্ষাকারী অন্যান্য সেবার পাশাপাশি স্থানীয় বাংলাদেশি জনগোষ্ঠীকেও সহায়তা দেওয়া হবে।

আরও পড়ুন: নেপালে মানবিক বিপর্যয়: বন্যায় ভেসে গেছে মরদেহ, মর্গেও জায়গা নেই

তিনি আরও বলেন, যুক্তরাজ্য সহিংসতার কারণে বাস্তুচ্যুত মানুষের জন্য মর্যাদা, সুরক্ষা ও সুযোগ নিশ্চিত করতে অব্যাহতভাবে কাজ করে যাবে।

২০১৭ সাল থেকে রোহিঙ্গা সংকটে যুক্তরাজ্য ৪৪৭ মিলিয়ন পাউন্ডের বেশি সহায়তা দিয়েছে। সর্বশেষ এই প্রতিশ্রুতি বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাজ্যের ঐতিহাসিক অংশীদারিত্ব ও বৈশ্বিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতিকে আরও দৃঢ় করে।

সহায়তার অর্থ আইওএম, ডব্লিউএফপি, ইউএনএইচসিআর, ইউনিসেফ, ইউএনএফপিএ ও আন্তর্জাতিক এনজিওগুলোর মাধ্যমে বাস্তবায়িত হবে। মূল খাতগুলো হলো— ক্যাম্প ব্যবস্থাপনা, খাদ্য সহায়তা, স্যানিটেশন, শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, জলবায়ু সহনশীল কৃষি ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সহায়তা।

যুক্তরাজ্যের কর্মকর্তারা বলেন, মিয়ানমারে বাস্তুচ্যুতির মূল কারণ নিরসন এবং রাখাইন রাজ্যে মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক সমন্বয় জোরদার করা জরুরি।