ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ, তবে গণতন্ত্রের স্বার্থে মেনে নিয়েছি: নাহিদ ইসলাম

Sadek Ali
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ৮:৩৫ পূর্বাহ্ন, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ | আপডেট: ১০:৫০ পূর্বাহ্ন, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু হলেও ফলাফলে কারচুপি হয়েছে। ফলে পুরো নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। তবে গণতন্ত্র ও দেশের স্থিতিশীলতার স্বার্থে তারা সেই ফল মেনে নিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর বাংলামোটরে এনসিপির অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদিব ও সদস্যসচিব মনিরা শারমিনসহ কেন্দ্রীয় নেতারা।

আরও পড়ুন: নারী ও এতিম শিশুদের সঙ্গে ইফতার করলেন জাইমা রহমান

সংস্কার পরিষদ নিয়ে বিএনপির সমালোচনা

নাহিদ ইসলাম বলেন, জাতীয় সংসদ ও সংবিধান সংস্কার পরিষদ কার্যকর করতেই তারা নির্বাচনের ফল মেনে নিয়েছেন। “সংবিধান সংস্কার না হলে বাংলাদেশ আগের কাঠামোয়ই থেকে যাবে। শেখ হাসিনার কাঠামো থাকবে, শুধু অন্য মানুষ দেশ চালাবে,”—মন্তব্য করেন তিনি।

আরও পড়ুন: তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়ে ট্রাম্পের চিঠি

তিনি অভিযোগ করেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সংবিধানের দোহাই দিয়ে ভুল ব্যাখ্যা তুলে সংস্কার পরিষদের শপথ গ্রহণ থেকে বিরত থেকেছে। এটি গণরায়ের প্রতি প্রতারণার শামিল বলে মন্তব্য করেন তিনি।

মন্ত্রিসভা নিয়ে প্রশ্ন

এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, বর্তমান মন্ত্রিসভা পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে সক্ষম নয়। তার ভাষায়, “এটি পুরোনো বন্দোবস্তের ধারাবাহিকতা। আঞ্চলিক, ধর্মীয় ও জাতিগত ভারসাম্য হয়নি; নারী প্রতিনিধিত্বও সীমিত।”

তিনি আরও অভিযোগ করেন, নতুন মন্ত্রিসভায় ঋণখেলাপি ও দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যক্তিরা রয়েছেন এবং ২০০১-২০০৬ সালের বিএনপি সরকারের সাবেক মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরাও অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন। এক রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী ও খুনের মামলার অভিযুক্তকে মন্ত্রী করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে বার্তা

দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর কঠোর অবস্থানের ঘোষণার প্রসঙ্গে নাহিদ ইসলাম বলেন, “আগে ঘর থেকেই—নিজের মন্ত্রিসভা থেকেই এ পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।”

তিনি আশা প্রকাশ করেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্টরা সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নিয়ে সংস্কার প্রক্রিয়া এগিয়ে নেবেন।