তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়ে ট্রাম্পের চিঠি

Sanchoy Biswas
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ৩:৫৫ অপরাহ্ন, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ | আপডেট: ৪:১৯ পূর্বাহ্ন, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

বাংলাদেশের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান-কে অভিনন্দন জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) হোয়াইট হাউস থেকে পাঠানো এক চিঠিতে এ শুভেচ্ছা বার্তা দেওয়া হয়।

চিঠিতে আমেরিকান জনগণের পক্ষ থেকে তারেক রহমানের ঐতিহাসিক বিজয়ে অভিনন্দন ও সফলতা কামনা করা হয়। এতে উল্লেখ করা হয়, যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের অংশীদারিত্ব পারস্পরিক সম্মান, অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং একটি মুক্ত ও উন্মুক্ত ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে শক্তিশালী ও সার্বভৌম রাষ্ট্রগুলোর সমৃদ্ধি নিশ্চিত করার অভিন্ন স্বার্থের ভিত্তিতে গড়ে উঠেছে।

আরও পড়ুন: নারী ও এতিম শিশুদের সঙ্গে ইফতার করলেন জাইমা রহমান

নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও সম্প্রসারিত হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়। পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তির বাস্তবায়নের মাধ্যমে কৃষক ও শ্রমিকদের উপকার হবে বলেও চিঠিতে উল্লেখ রয়েছে। পাশাপাশি, চলমান প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদার এবং বাংলাদেশের সামরিক বাহিনীর জন্য উন্নতমানের মার্কিন সরঞ্জামে প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করা হয়।

চিঠির শেষাংশে যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে আরও শক্তিশালী করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়। বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের প্রতি পূর্ণ আস্থা রয়েছে বলেও জানানো হয়।

আরও পড়ুন: মতপ্রকাশের স্বাধীনতার জন্যই ‘জুলাই’: ডা. শফিকুর রহমান

এর আগে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস ঢাকা পৃথক বিবৃতিতে বাংলাদেশকে সফল নির্বাচনের জন্য অভিনন্দন জানায় এবং নতুন সরকারের সঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করে।

এদিকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান, চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ-সহ বিভিন্ন দেশের নেতারাও অভিনন্দন বার্তা পাঠিয়েছেন।

বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের এই বার্তা নতুন সরকারের সঙ্গে কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারের ইঙ্গিত বহন করছে। শপথের পর প্রথম ভাষণে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতীয় ঐক্য, অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার, দুর্নীতি দমন এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব সম্প্রসারণের প্রতিশ্রুতি দেন। পর্যবেক্ষকদের ধারণা, ওয়াশিংটনের সঙ্গে ইতিবাচক সম্পর্ক বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও নিরাপত্তা সহযোগিতায় নতুন সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে।