তারেক রহমানকে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর চিঠি, অংশীদারিত্ব জোরদারে প্রতিশ্রুতি

Sanchoy Biswas
বাংলাবাজার রিপোর্ট
প্রকাশিত: ৯:৪৮ অপরাহ্ন, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ | আপডেট: ৪:১৮ পূর্বাহ্ন, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়লাভ করে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় তারেক রহমান-কে উষ্ণ অভিনন্দন জানিয়েছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। অভিনন্দন বার্তায় দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।

এর আগে ডোনাল্ড ট্রাম্প-ও তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানান। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে পাঠানো চিঠিতে ঐতিহাসিক বিজয়ের জন্য শুভেচ্ছা ও সফলতা কামনা করা হয়। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) পাঠানো ওই চিঠিটি প্রকাশ করে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভেরিফায়েড এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডেল।

আরও পড়ুন: ৪৪তম বিসিএস: নন-ক্যাডার পদে ৪,১৩৬ জনের ফল প্রকাশ

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর চিঠিতে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর সদস্যদের জন্য মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জলবায়ু কর্মকাণ্ড, অভিবাসন ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতায় যুক্তরাজ্য-বাংলাদেশ অংশীদারিত্ব জোরদারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়।

চিঠিতে কিয়ার স্টারমার উল্লেখ করেন, যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক বিদ্যমান। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, নতুন নেতৃত্বে এই সহযোগিতা অভিন্ন মূল্যবোধ ও ঐতিহাসিক বন্ধনের ভিত্তিতে আরও বিস্তৃত হবে।

আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে শনিবার অফিস করবেন তারেক রহমান

বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ বিদেশি বিনিয়োগকারী দেশ হিসেবে যুক্তরাজ্য দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের আগ্রহও প্রকাশ করেছে। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বলেন, দুই দেশের অংশীদারত্বকে আরও শক্তিশালী করতে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার প্রত্যাশা রয়েছে এবং পারস্পরিক অগ্রগতি ভাগাভাগি করা হবে অগ্রাধিকার।

তিনি আরও বলেন, অবৈধ অভিবাসন মোকাবিলা, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব প্রতিরোধ এবং দীর্ঘদিনের প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সহযোগিতা জোরদারে দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করবে।

মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর প্রতি বাংলাদেশের মানবিক ভূমিকার প্রশংসা করে কিয়ার স্টারমার জানান, যুক্তরাজ্য সরকার রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য মানবিক ও আর্থিক সহায়তা অব্যাহত রাখবে।

চিঠির শেষাংশে তিনি দুই দেশের সম্পর্কের ‘পরবর্তী অধ্যায়’ আরও সফল ও সমৃদ্ধ হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।