আইনশৃঙ্খলা, দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ ও অর্থনীতি সচল করাই প্রধান চ্যালেঞ্জ: ফখরুল
‘আইনশৃঙ্খলা-দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ এবং অর্থনীতি সচল করাই আগামী সরকারের জন্য প্রধান চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
শুক্রবার বিকালে নিজের নির্বাচনী এলাকা ঠাকুরগাঁও থেকে ঢাকায় ফিরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অভ্যন্তরীণ টার্মিনালের বাইরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বিএনপি মহাসচিব এই মন্তব্য করেন।
আরও পড়ুন: ঢাকা ১১ আসনে গেজেট স্থগিত করে ভোট পুনঃগণনার দাবি ড. এম এ কাইয়ুমের
তিনি বলেন, ‘আগামী সরকারের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে, অর্থনীতিকে সচল করা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে নিয়ন্ত্রণে রাখা, দুর্নীতিকে নিয়ন্ত্রণ করা এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা… দিস আর দ্যা চ্যালেঞ্জ।’
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ২৯৯ আসনে বিএনপি ২০৯ আসনে বিজয়ী হয়েছে। সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করায় বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে আগামী সরকার গঠন করব।
আরও পড়ুন: আসন আলাদা হলেও ৩৫ বছরের বিরোধে বিএনপির দুজনেই হারলেন
‘এটি আনন্দময়-বিষাদময়’
নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘এই ফলাফল এক হচ্ছে, আনন্দময়, আরেকটা হচ্ছে বিষাদময়। আমাদের দলের প্রয়াত চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া তিনি এই অভূতপূর্ব বিজয় দেখে যেতে পারলেন না—এটা বিষাদময়।
‘অনেক শত-হাজার রক্তের বিনিময়ে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পরে একটা চমৎকার উৎসবমুখর এবং একটা স্বচ্ছ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আমি ব্যক্তিগতভাবে ডেফিনেটলি অভিভূত, মুগ্ধ। এই ধারাবাহিকতা যদি আমরা রাখতে পারি, তাহলে গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতা আমরা রক্ষা করতে পারব।’
আওয়ামী লীগ ছাড়া নির্বাচন হলো, এই দলটি নিয়ে আপনাদের ভাবনা কী—প্রশ্ন করা হলে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আওয়ামী লীগের ব্যাপারে ইতিমধ্যে নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তাদের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়েছে।’
পরবর্তীকালে বিভিন্ন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট থেকে উঠে আসবে পরবর্তী সিদ্ধান্ত।
বিমানবন্দর থেকে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গুলশানে চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে যান। সেখানে দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ফুল দিয়ে অভিনন্দন জানান বিএনপি মহাসচিব। এ সময় দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাউদ্দিন আহমেদ, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য ইসমাইল জবিহউল্লাহ উপস্থিত ছিলেন।





