যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের পাল্টাপাল্টি অবস্থান, হামলার হুমকি আদান–প্রদান
ইরানে চলমান গণবিক্ষোভকে কেন্দ্র করে দেশটির সরকার ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা আরও বেড়েছে। বিক্ষোভ দমনে ইরান সরকার শক্ত ব্যবহারে গেলে সামরিক প্রতিক্রিয়া জানানো হতে পারে বলে একাধিকবার সতর্ক করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
ইরানের বিভিন্ন শহরে সপ্তাহজুড়ে বিক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে। এ পর্যন্ত অর্ধশতাধিক জনের বেশি বিক্ষোভকারী নিহত ও প্রায় ২ হাজার ৫০০ জনকে আটক করা হয়েছে বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের বরাতে জানা গেছে।
আরও পড়ুন: ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যে যুক্ত দেশগুলোর পণ্যে ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা ট্রাম্পের
এমন পরিস্থিতিতে ইরানে মার্কিন হস্তক্ষেপের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, গত শনিবার ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও টেলিফোনে এ বিষয়ে কথা বলেছেন। ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো সম্ভাব্য পদক্ষেপের বিষয়ে ইসরায়েল সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে বলেও ওই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের হুমকির তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ইরান। মার্কিন বাহিনী আক্রমণ চালালে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি এবং ইসরায়েলকে ‘বৈধ লক্ষ্যবস্তু’ হিসেবে বিবেচনা করা হবে বলে রোববার ইরানের পার্লামেন্টে জানিয়েছেন স্পিকার মোহাম্মদ বাকের কালিবাফ।
আরও পড়ুন: ইরান ছাড়তে মার্কিন নাগরিকদের জরুরি আহ্বান যুক্তরাষ্ট্রের
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি শুক্রবার এক ভাষণে বলেন, “কয়েক লাখ শহীদের রক্তের বিনিময়ে ইসলামি প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বিক্ষোভের মুখে সরকার পিছিয়ে যাবে না।”
মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা বৃদ্ধির কারণে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহলে উদ্বেগ বাড়ছে বলে পর্যবেক্ষকদের মত।





