হিজবুল্লার সামরিক তৎপরতায় নিষেধাজ্ঞা, লেবানন সরকারের কড়া সিদ্ধান্ত
লেবাননভিত্তিক সশস্ত্র ইসলামি রাজনৈতিক গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ-এর সামরিক কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নাওয়াফ সালাম। একই সঙ্গে গোষ্ঠীটির রাজনৈতিক কার্যক্রমও সীমিত করার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
রাজধানী বৈরুত-এর প্রেসিডেন্সিয়াল প্রাসাদে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন।
আরও পড়ুন: দক্ষিণ ইরানে ৪.৪ মাত্রার ভূমিকম্প
বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে নাওয়াফ সালাম বলেন, এখন থেকে লেবাননের সরকারি সেনাবাহিনী ছাড়া অন্য কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর সব ধরনের সামরিক তৎপরতা নিষিদ্ধ থাকবে। মন্ত্রিসভা বৈধ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের বাইরে যেকোনো সামরিক অভিযান নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তিনি বলেন, যুদ্ধ ও শান্তি সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত একমাত্র রাষ্ট্রই নেবে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের তেহরানসহ ছয় শহরে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়ে। এর প্রেক্ষিতে ১ মার্চ থেকে ইসরায়েলের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ শুরু করে হিজবুল্লাহ।
আরও পড়ুন: ইরান নয়, সৌদির আরামকোতে হামলা চালায় ইসরাইল
২০২৪ সালের নভেম্বরে ইসরায়েল-লেবানন যুদ্ধবিরতি চুক্তির পর এটিই ছিল হিজবুল্লাহর প্রথম সামরিক পদক্ষেপ। তবে ওই দিনই নাওয়াফ সালাম গোষ্ঠীটির হামলাকে ‘দায়িত্বহীন’ আখ্যা দিয়ে কঠোর সমালোচনা করেছিলেন।
বর্তমানে লেবাননে নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে সরকার।





