৪৬ বছর পর যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের ঐতিহাসিক বৈঠক
১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর এই প্রথম সর্বোচ্চ পর্যায়ের কূটনৈতিক আলোচনায় বসতে যাচ্ছে চিরবৈরী দুই দেশ যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। আজ পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে এই ঐতিহাসিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
২০১৫ সালে ইরানের পরমাণু চুক্তির পর এবারই প্রথম দেশ দুটি আনুষ্ঠানিকভাবে সরাসরি বা মুখোমুখি আলোচনায় বসছে। এর আগে ২০১৮ সালে ডোনাল্ড ট্রাম্প তার প্রথম মেয়াদে ওই পরমাণু চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে বের করে নিয়ে যাওয়ার পর সম্পর্কের চরম অবনতি ঘটে। একই বছর ইরানের তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা নিষিদ্ধ করেছিলেন।
আরও পড়ুন: যুক্তরাজ্যে এত ঘন ঘন প্রধানমন্ত্রী বদল হচ্ছে কেন?
উল্লেখ্য, ছয় সপ্তাহ আগে শুরু হওয়া ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের শুরুতে এক যৌথ মার্কিন-ইসরাইলি হামলায় আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হন। তার মৃত্যুর পর এই প্রথম দুই দেশ সরাসরি আলোচনার টেবিলে ফিরল, যা এই সংলাপকে এক বিশেষ গুরুত্ব ও মাত্রা দিয়েছে।
পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় আয়োজিত এই বৈঠককে কূটনৈতিক অঙ্গনে এক অভাবনীয় সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে। দুই সপ্তাহের অস্থায়ী যুদ্ধবিরতির মধ্যেই এই উচ্চপর্যায়ের আলোচনা থেকে একটি স্থায়ী শান্তি চুক্তির আশা করছে বিশ্ব সম্প্রদায়। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা প্রশমনে এই বৈঠক কতটুকু সফল হয়, সেদিকেই এখন তাকিয়ে আছে বিশ্ব।
আরও পড়ুন: দুই দিনে ১৮ জনের মৃত্যু, তীব্র তাপপ্রবাহে পুড়ছে ইউরোপ
সূত্র : আল-জাজিরা





