ইরান থেকে জব্দ করা অর্থ আরব দেশগুলোকে দেবে যুক্তরাষ্ট্র

Sadek Ali
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১১:৫১ পূর্বাহ্ন, ০৭ জুন ২০২৬ | আপডেট: ৫:৫১ অপরাহ্ন, ০৭ জুন ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলের যেসব আরব দেশ ইরানের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তাদের অবকাঠামো পুনর্গঠন ও মেরামতে ইরানের জব্দকৃত অর্থ ব্যবহারের পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। বিষয়টি নিয়ে মার্কিন প্রশাসনের ভেতরে আলোচনা চলছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্স।

রোববার (৭ জুন) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে রয়টার্স সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের বরাত দিয়ে জানায়, ইরানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞা ও আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র যে বিপুল পরিমাণ অর্থ জব্দ করে রেখেছে, সেখান থেকে ক্ষতিগ্রস্ত আরব দেশগুলোকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার সম্ভাবনা বিবেচনা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: সৌদি আরবের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করল সিরিয়া

সূত্রগুলো জানিয়েছে, সাম্প্রতিক হামলার পাশাপাশি অতীতের বিভিন্ন সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো পুনর্নির্মাণেও এই অর্থ ব্যবহারের বিষয়টি আলোচনায় রয়েছে।

একজন সূত্রের দাবি, মার্কিন বাণিজ্যমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ইরানের হামলায় উপসাগরীয় আরব দেশগুলোর ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণের নির্দেশ দিয়েছেন। সেই মূল্যায়নের ভিত্তিতেই সম্ভাব্য ক্ষতিপূরণ কাঠামো নির্ধারণ করা হতে পারে।

আরও পড়ুন: মার্কিন নির্বাচনে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত তিন জনপ্রতিনিধির জয়

তবে এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেয়নি যুক্তরাষ্ট্র।

হিজবুল্লাহর হামলায় নিহত দুই ইসরায়েলি সেনা

এদিকে লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর হামলায় দুই ইসরায়েলি সেনা নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী (আইডিএফ)।

আইডিএফের তথ্য অনুযায়ী, নিহতদের একজন ২৩ বছর বয়সী ক্যাপ্টেন শাহার গামলা, যিনি ইগোজ ইউনিটের কমান্ডো কর্মকর্তা ছিলেন। গত বৃহস্পতিবার হিজবুল্লাহর ড্রোন হামলায় গুরুতর আহত হওয়ার পর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার তার মৃত্যু হয়।

অপর নিহত সেনা ২১ বছর বয়সী সার্জেন্ট ওহাদ ইয়ারি, যিনি গিভাতি ব্রিগেডের সাকেদ ব্যাটালিয়নে কর্মরত ছিলেন। আইডিএফ দাবি করেছে, তিনি পৃথক এক ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছেন। ঘটনাটির তদন্ত চলছে।

যুদ্ধবিরতির পরও উত্তেজনা অব্যাহত

লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও সীমান্ত এলাকায় উত্তেজনা পুরোপুরি কমেনি। সাম্প্রতিক সময়ে ড্রোন হামলা, গোলাবর্ষণ এবং সীমান্তসংলগ্ন এলাকায় সামরিক অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান অস্থিরতা এবং ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীগুলোর সক্রিয়তা আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।