শীতকালে হাইড্রেশন বজায় রাখার কিছু সহজ উপায়
শীতকালে অনেককিছুই আরামদায়ক হলেও পানিশূন্যতা বা ডিহাইড্রেশন এসময় প্রকট হতে পারে। সাধারণ ধারণার বিপরীতে, এটি কেবল গরম আবহাওয়ায় সীমাবদ্ধ নয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, শীতের মাসগুলোতে পানিশূন্যতার সমস্যা অনেক বিস্তৃত হতে পারে এবং লক্ষণগুলো দেখা না দেওয়া পর্যন্ত এটি প্রায় অদৃশ্য থাকে।
শীতকালে ঠান্ডা বাতাস এবং ঘরের উষ্ণ পরিবেশে আর্দ্রতা কমে যায়। শ্বাস নেওয়ার সময় শরীর আর্দ্রতা হারায়, আর শীতজনিত ডিউরেসিস বা ঘন ঘন প্রস্রাব তরল ক্ষয়ের আরও একটি কারণ। কম শারীরিক পরিশ্রম, অতিরিক্ত পোশাক এবং কম পানি খাওয়ার ফলে অজান্তেই ডিহাইড্রেশন বাড়তে পারে।
আরও পড়ুন: পেশী গঠনে যে খাবারগুলোর বড় ভূমিকা রয়েছে
ডিহাইড্রেশনের প্রাথমিক লক্ষণ হলো শুষ্ক ঠোঁট, নিস্তেজ ত্বক, মাথাব্যথা, ক্লান্তি, কম প্রস্রাব এবং গাঢ় রঙের প্রস্রাব। এগুলো প্রাথমিকভাবে শীতকালীন ক্লান্তির সঙ্গে বিভ্রান্ত হতে পারে।
শীতকালে হাইড্রেশন বজায় রাখার কিছু সহজ উপায়:
আরও পড়ুন: মটরশুঁটি খেলে যে ৫টি উপকার পাওয়া যায়
সকালে উষ্ণ পানি: দিনের শুরুতে এক গ্লাস উষ্ণ পানি পান করুন, এটি পরিপাকতন্ত্রকে জাগিয়ে তুলবে এবং সারাদিন নিয়মিত পানি পান করতে উৎসাহ দেবে।
তরল খাবার: উষ্ণ ভেষজ চা, স্যুপ, লেবুর পানি, ঝোল ইত্যাদি পানি গ্রহণের সঙ্গে হাইড্রেশনও নিশ্চিত করে।
ফল ও শাক-সবজি: মৌসুমি ফল এবং সবজিতে প্রচুর পানি থাকে, যা শরীরকে হাইড্রেট রাখে।
ক্যাফেইন নিয়ন্ত্রণ: চা ও কফি অতিরিক্ত পরিমাণে তরল ক্ষয় করতে পারে। প্রতি কাপ ক্যাফেইনের জন্য পর্যাপ্ত পানি বা উষ্ণ পানীয় পান করা উচিত।
বিশেষজ্ঞরা শীতকালে পানি পান নিয়মিত করার, উষ্ণ তরল গ্রহণের, পানি সমৃদ্ধ খাবার খাওয়ার এবং তৃষ্ণার্ত না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা না করার পরামর্শ দিয়েছেন। এই সহজ উপায়গুলো মেনে চললেই শীতকালে ডিহাইড্রেশন প্রতিরোধ করা সম্ভব।





