নীরবে ক্ষতি করে কিডনি রোগ, সচেতনতা ও জীবনযাপনের পরিবর্তনেই প্রতিরোধ

Any Akter
লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: ৫:১৪ অপরাহ্ন, ০২ এপ্রিল ২০২৬ | আপডেট: ৪:৫২ অপরাহ্ন, ০৩ জুলাই ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

কিডনি রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ এই রোগটি বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই শুরুতে কোনো স্পষ্ট লক্ষণ প্রকাশ করে না। ফলে অনেকেই নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার সময় হঠাৎ জানতে পারেন যে তাদের কিডনিতে সমস্যা দেখা দিয়েছে। চিকিৎসকরা বলছেন, লক্ষণ প্রকাশ পাওয়ার আগেই কিডনির অনেকটা ক্ষতি হয়ে যায়।

দৈনন্দিন জীবনের কিছু অভ্যাস কিডনির ওপর দীর্ঘমেয়াদে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। অতিরিক্ত জাঙ্ক ফুড ও লবণ গ্রহণ কিডনির ওপর অপ্রয়োজনীয় চাপ সৃষ্টি করে। পাশাপাশি চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ব্যথানাশক ওষুধ সেবনও কিডনির কার্যক্ষমতা হ্রাস করতে পারে।

আরও পড়ুন: ইমপ্লান্টেশন ব্লিডিং নাকি গর্ভপাত? পার্থক্য বোঝার উপায় জানুন

বিশেষজ্ঞরা জানান, ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ কিডনির জন্য বড় ঝুঁকির কারণ। এই দুটি রোগ রক্তনালীর ওপর প্রভাব ফেলে, যা কিডনির স্বাভাবিক কার্যক্রমকে ব্যাহত করে। এছাড়া পরিবারে কিডনি রোগের ইতিহাস থাকলেও ঝুঁকি বেড়ে যায়।

প্রাথমিক পর্যায়ে কিডনি সমস্যার লক্ষণ সাধারণত স্পষ্ট নয়। তবে পায়ে হালকা ফোলাভাব, অস্বাভাবিক ক্লান্তি, রাতে ঘন ঘন প্রস্রাব বা ক্ষুধামন্দার মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে, যা অনেক সময়ই মানুষ গুরুত্ব দেয় না।

আরও পড়ুন: শিশুর দুধ দাঁতের যত্ন কেন জরুরি? অবহেলা করলে হতে পারে দীর্ঘমেয়াদি সমস্যা

চিকিৎসকদের মতে, কিডনির সুস্থতা নিশ্চিত করতে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা অত্যন্ত জরুরি। বিশেষ করে প্রস্রাব ও রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে কিডনি সমস্যার প্রাথমিক শনাক্তকরণ সম্ভব। একইসঙ্গে রক্তচাপ ও রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখাও গুরুত্বপূর্ণ।

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী, কিডনির সুস্থতা রক্ষায় জীবনযাত্রায় কিছু পরিবর্তন আনতে হবে। এর মধ্যে কম লবণ গ্রহণ, পর্যাপ্ত পানি পান, নিয়মিত ব্যায়াম এবং অপ্রয়োজনীয় ওষুধ সেবন পরিহার করা অন্যতম। এসব অভ্যাস কিডনিকে সুস্থ রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।