উপদেষ্টাদের বিব্রত করতে স্বজনদের ঘিরে সক্রিয় দালাল চক্র
জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থানে ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দেশের শাসনভার গ্রহণ করে। অধ্যাপক ড. ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারে ঠাঁই হয়ে তিন ছাত্র উপদেষ্টার।
তারা হলেন নাহিদ ইসলাম, মাহফুজ আলম ও আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। এরইমধ্যে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা পদ ছেড়ে (জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপি’র) দলের প্রধান হিসেবে দায়িত্বে ফিরেছেন নাহিদ ইসলাম। অন্য দু’জনের মধ্যে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা এবং মাহফুজ আলম তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করছেন।
আরও পড়ুন: বঞ্চিত সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করবে সরকার: প্রধান উপদেষ্টা
উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে বিভিন্ন সময়ে তাদের ও তাদের স্বজনদের বিভ্রান্ত করতে দালাল চক্র ও তদবিরবাজ চক্র সক্রিয় হয়ে উঠেছে। ইতিমধ্যে দালালচক্রদের ঘিরে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ উঠে। তবে কোনো অভিযোগেরই সরাসরি সত্যতা প্রমাণিত না হলেও সমাজে এক ধরনের বিরূপ প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে।
সর্বশেষ স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বাবার নামে ইস্যুকৃত ঠিকাদরি লাইসেন্স নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার ঝর উঠে। নিজের বাবার নামে ইস্যুকৃত ঠিকাদারি লাইসেন্সের জন্য ক্ষমা চেয়েছেন আসিফ মাহমুদ। যেখানে তিনি স্বচ্ছতা বজায় রাখার অঙ্গীকারের কথাও উল্লেখ করেন।
আরও পড়ুন: বিডিআর হত্যাকাণ্ডে দলগতভাবে জড়িত আওয়ামী লীগ, মূল সমন্বয়কারী তাপস: কমিশন
এর আগে উপদেষ্টা মাহফুজ আলমের বাবা লক্ষ্মীপুরে স্থানীয় ঝামেলায় বিএনপি নেতাকর্মীদের হামলার শিকার হন। এছাড়া সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা নাহিদ ইসলামের বাবা মো. বদরুল ইসলাম জামির নামেও অভিযোগ উঠেছিল। নাহিদ ইসলামের বাবার নামে স্ট্যাটাস দেওয়ার পর এবার ক্ষমা চেয়েছেন সাইফ আল মাহমুদ নামের এক যুবক। গত ২৪ জানুয়ারি ফেসবুকে আরেকটি স্ট্যাটাস দিয়ে নাহিদের কাছে ক্ষমা চান এই যুবক।
জানা গেছে, এর আগে উপদেষ্টা নাহিদ ও তার বাবাকে জড়িয়ে বিভিন্ন অভিযোগের কথা জানিয়ে ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন সাইফ আল মাহমুদ। সেখানে তিনি নাহিদ ও তার বাবার নামে বিভিন্ন কথা লিখেন।





