চট্টগ্রাম বন্দরে ৫ জ্বালানিবাহী জাহাজ, খালাস শুরু দুইটির

Sanchoy Biswas
বাংলাবাজার রিপোর্ট
প্রকাশিত: ৫:৫৪ অপরাহ্ন, ২১ এপ্রিল ২০২৬ | আপডেট: ৭:৩৫ অপরাহ্ন, ২২ এপ্রিল ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

দেশে জ্বালানি তেলের চাহিদা পূরণ ও সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে একযোগে বিপুল পরিমাণ জ্বালানি নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দর-এ ভিড়েছে পাঁচটি জাহাজ। মোট ১ লাখ ৬৯ হাজার টন ডিজেল ও অকটেন বহনকারী এসব জাহাজের মধ্যে দুটি থেকে ইতোমধ্যে খালাস কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) বন্দর কর্তৃপক্ষ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশে বিনিয়োগ সম্প্রসারণে ইউনিক্লোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

বন্দর সূত্র জানায়, ডলফিন জেটিতে নোঙর করা ‘এমটি ওকট্রি’ ও ‘এমটি কেপ বনি’ জাহাজ থেকে সোমবার সকাল থেকেই জ্বালানি খালাস শুরু হয়। এর মধ্যে ‘এমটি ওকট্রি’ জাহাজে রয়েছে প্রায় ৩৫ হাজার টন ডিজেল এবং ‘এমটি কেপ বনি’ জাহাজে প্রায় ৩৩ হাজার টন ডিজেল। ফলে এই দুটি জাহাজ থেকেই মোট প্রায় ৬৮ হাজার টন ডিজেল খালাস করা হচ্ছে।

অন্যদিকে, বন্দরের বহির্নোঙরে আরও তিনটি জ্বালানিবাহী জাহাজ খালাসের অপেক্ষায় রয়েছে। ‘এমটি লিয়ান সং হু’ জাহাজে রয়েছে প্রায় ৪১ হাজার টন ডিজেল, ‘এমটি প্যাসিফিক ইন্ডিগো’ জাহাজে প্রায় ৩৩ হাজার টন ডিজেল এবং ‘এমটি নাভে সিয়েলো’ জাহাজে রয়েছে প্রায় ২৭ হাজার টন অকটেন।

আরও পড়ুন: বিনিয়োগবান্ধব নীতি প্রণয়ন ও ব্যবসায়িক পরিবেশ উন্নয়নে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ : প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন-এর জনসংযোগ শাখার সহকারী মহাব্যবস্থাপক ফারজিন হাসান মৌমিতা জানান, দেশের জ্বালানি সরবরাহ নির্বিঘ্ন রাখতে দ্রুতগতিতে খালাস কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। বর্তমান চাহিদা বিবেচনায় জ্বালানিগুলো দ্রুত দেশের বিভিন্ন ডিপোতে পাঠানো হবে।

বন্দর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, খালাস শেষ হলে জ্বালানিগুলো পর্যায়ক্রমে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরবরাহ করা হবে। এতে জাতীয় পর্যায়ে জ্বালানি মজুত আরও শক্তিশালী হবে এবং বিদ্যুৎ, পরিবহন ও শিল্পখাতে নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।

এদিকে, আরও কয়েকটি জ্বালানিবাহী জাহাজ ইতোমধ্যে বাংলাদেশের জলসীমায় প্রবেশ করেছে। সেগুলোও শিগগিরই বন্দরে নোঙর করে খালাস কার্যক্রমে যুক্ত হবে বলে জানা গেছে। সংশ্লিষ্টদের আশা, এই ধারাবাহিক সরবরাহের ফলে আসন্ন সময়ে জ্বালানি সংকটের ঝুঁকি অনেকটাই কমবে।