‘ফ্যাসিস্টরা দেশকে ধ্বংস করেছে, পরিবর্তন ভিন্নখাতে নিতে অপচেষ্টা চলছে’ : মির্জা ফখরুল

Sadek Ali
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ২:৩৪ অপরাহ্ন, ০৮ মে ২০২৬ | আপডেট: ৭:৫০ অপরাহ্ন, ০৮ মে ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, জুলাইয়ের আন্দোলনের মাধ্যমে দেশের মানুষ পরিবর্তনের যে প্রত্যাশা তৈরি করেছে, সেটিকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার অপচেষ্টা চলছে। তিনি সবাইকে দেশের স্থিতিশীলতা বজায় রাখার আহ্বান জানান।

শুক্রবার (৮ মে) নওগাঁর পতিসর রবীন্দ্র কাচারি বাড়ি প্রাঙ্গণে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর-এর ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানের আয়োজন করে জেলা প্রশাসন।

আরও পড়ুন: জুলাইয়ের মধ্যে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার নিয়ে সুখবর আসবে: শ্রমমন্ত্রী

মির্জা ফখরুল বলেন, জুলাইয়ের আন্দোলনে তরুণরা ঐক্যবদ্ধভাবে অংশ নিয়ে পরিবর্তনের পথ তৈরি করেছে। নতুন সরকারের প্রতি জনগণের প্রত্যাশা রয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, পূর্ববর্তী ফ্যাসিস্ট শাসকেরা দেশের অর্থনীতি, ব্যাংকিং খাত ও প্রশাসনিক কাঠামোকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে এবং বিদেশে অর্থ পাচার করেছে।

তিনি বলেন, “আমরা চাই না দেশে আর কোনো ধরনের অস্থিরতা তৈরি হোক। কিছু গোষ্ঠী ছোটখাটো ইস্যু নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে।”

আরও পড়ুন: মুদিদোকান, বিউটি পার্লারসহ নতুন খাত ভ্যাটের আওতায় আনার পরিকল্পনা

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাহিত্য ও সমাজভাবনা নিয়ে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, কবিতা, গান, নাটক ও সাহিত্যের সব ক্ষেত্রেই রবীন্দ্রনাথের অসাধারণ অবদান রয়েছে। কৃষকদের দুর্দশা দেখে তিনি পতিসরে ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করেছিলেন এবং আধুনিক কৃষি ব্যবস্থার উদ্যোগ নিয়েছিলেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

মন্ত্রী আরও বলেন, সাহিত্য ও সংস্কৃতিচর্চা মানুষকে মানবিক করে তোলে। যে মানুষ সাহিত্য ভালোবাসে, গান শোনে বা কবিতা চর্চা করে, সে অবশ্যই ভালো মানুষ হয়ে ওঠে।

তিনি দেশের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের ইতিহাস তুলে ধরে বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র কোনো সহজ প্রাপ্তি নয়; দীর্ঘ আন্দোলন ও সংগ্রামের মধ্য দিয়ে তা অর্জিত হয়েছে। তাই দেশের স্বকীয়তা ও জাতীয় পরিচয় ধরে রাখতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মিজানুর রহমান মিনু, আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলুসহ প্রশাসন, সংস্কৃতি অঙ্গন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।