ঢাকার খালগুলোর সীমানা চিহ্নিত করতে পৃথক দুটি কমিটি গঠন
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি) এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি) এলাকার আওতাধীন সকল খালের সীমানা নির্ধারণ ও পুনরুদ্ধার কার্যক্রমকে গতিশীল করতে পৃথক দুটি কমিটি গঠন করেছে স্থানীয় সরকার বিভাগ।
স্থানীয় সরকার বিভাগের সিটি কর্পোরেশন-১ শাখা থেকে জারিকৃত ১১ জুন ২০২৬ তারিখের এক অফিস আদেশে জানানো হয়, সম্প্রতি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, এমপি’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক জরুরি সভায় ঢাকার খালগুলোর সীমানা নির্ধারণ, পুনরুদ্ধার এবং জলাবদ্ধতা নিরসনে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের সিদ্ধান্ত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ঢাকা উত্তর ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের জন্য পৃথক কমিটি গঠন করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: একনেকে ৭ হাজার কোটি টাকার ৫ প্রকল্প অনুমোদন
অফিস আদেশ অনুযায়ী, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের জন্য ১২ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন ডিএনসিসির প্রধান প্রকৌশলী। কমিটির সদস্য হিসেবে রয়েছেন ডিএনসিসি সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী ও নির্বাহী প্রকৌশলী, ঢাকার জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসার, ঢাকা জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) এবং Construction Supervision Consultant (CSC), ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ, ঢাকা ওয়াসা, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক), বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের ও সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের প্রতিনিধি।
অনুরূপভাবে, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ১১ সদস্যবিশিষ্ট কমিটির আহ্বায়ক হলেন প্রধান প্রকৌশলী, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন। কমিটির সদস্য হিসেবে রয়েছেন ডিএসসিসি সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী ও নির্বাহী প্রকৌশলী, ঢাকার জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসার, ঢাকা জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) এবং Construction Supervision Consultant (CSC), ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ, ঢাকা ওয়াসা, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের ও সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের প্রতিনিধি।
আরও পড়ুন: স্কুল পর্যায় থেকে সামাজিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধের চর্চা বাড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
কমিটির কার্যপরিধি অনুযায়ী, আগামী তিন মাসের মধ্যে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন সকল খাল ডিমার্কেশনপূর্বক সীমানা চিহ্নিত করে বিস্তারিত প্রতিবেদন স্থানীয় সরকার বিভাগে দাখিল করতে হবে। প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসকের পরামর্শ গ্রহণ করা যাবে এবং অন্যান্য সদস্য কো-অপ্ট করতে পারবে।
স্থানীয় সরকার বিভাগ আশা করছে, এ উদ্যোগের মাধ্যমে ঢাকার খালগুলোর প্রকৃত সীমানা নির্ধারণ, দখলমুক্তকরণ, পুনরুদ্ধার এবং জলাবদ্ধতা নিরসন কার্যক্রম আরও কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে।





