জনগণের অর্থ জনগণের কল্যাণে ব্যয় হবে, পাচারকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা: প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, জনগণের অর্থ জনগণের কল্যাণে ব্যয় করা হবে এবং বিদেশে অর্থ পাচারের সুযোগ দেওয়া হবে না। যারা দেশের অর্থ বিদেশে পাচার করতে চাইবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বুধবার (১৭ জুন) মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচির অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, অতীতে একটি দল জনগণের অর্থ জনগণের কাজে ব্যয় না করে বিদেশে পাচার করেছে। বর্তমান সরকার জনগণের অর্থ জনগণের উন্নয়ন ও কল্যাণে ব্যবহার করতে বদ্ধপরিকর।
আরও পড়ুন: দুই দেশের সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে সিদ্ধান্ত ভারতের: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ
তিনি জানান, আগামী এক বছরের মধ্যে দেশের সব চা বাগানের নারী শ্রমিকের হাতে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে। পাশাপাশি নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, দেশকে এগিয়ে নিতে নারী-পুরুষকে সমানভাবে কাজ করতে হবে। নারীদের উন্নয়ন ছাড়া দেশের সার্বিক অগ্রগতি সম্ভব নয়।
মানুষের জীবনমান উন্নয়নই সরকারের প্রধান লক্ষ্য উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, শ্রীমঙ্গলে ১৫০ জন চা শ্রমিকের সন্তানকে শিক্ষাবৃত্তি দেওয়া হয়েছে। এছাড়া আগামী এক বছরে দেশের ৪০ লাখ কৃষকের হাতে কৃষক কার্ড তুলে দেওয়া হবে।
আরও পড়ুন: রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খানের ৪২তম শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
তিনি বলেন, বিএনপি সবসময় সাধারণ মানুষের পাশে থাকতে চায়। স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে উপজেলা পর্যায়ের ৫০ শয্যার হাসপাতালগুলোকে ১০০ শয্যায় উন্নীত করা হবে।
বাজেট প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনের লক্ষ্যে এবারের বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে। কিন্তু একটি দল এটিকে জনবিরোধী বাজেট বলে আখ্যা দিচ্ছে। যারা জনবান্ধব বাজেটকে জনবিরোধী বলে, তারা জনগণের প্রকৃত বন্ধু হতে পারে না।
তিনি আরও বলেন, জনগণকে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টার বিরুদ্ধে সবাইকে সচেতন ও ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। গণতন্ত্র ও উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে জাতীয় ঐক্যের বিকল্প নেই।
তারেক রহমান বলেন, দেশের মানুষ যখনই ভোট দেওয়ার সুযোগ পেয়েছে, তখনই বিএনপিকে বিজয়ী করেছে। জনগণ ঐক্যবদ্ধ থাকলে গণতন্ত্রকে কেউ ধ্বংস করতে পারবে না। বিএনপির সবচেয়ে বড় শক্তি দেশের জনগণ। তিনি বলেন, “২০ কোটি মানুষের ৪০ কোটি হাতকে কাজে লাগাতে পারলে স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়া সম্ভব।”





