খামেনিকে শেষ শ্রদ্ধা জানালেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ

Sanchoy Biswas
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ৩:৩৭ পূর্বাহ্ন, ০৪ জুলাই ২০২৬ | আপডেট: ৫:১৫ পূর্বাহ্ন, ০৪ জুলাই ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানিয়েছেন বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ। শুক্রবার (৩ জুলাই) তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লা মসজিদে আয়োজিত রাষ্ট্রীয় শোকানুষ্ঠানে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিয়ে তিনি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) রাষ্ট্রীয় জানাজায় অংশ নিতে তেহরানে পৌঁছান স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। সফরের অংশ হিসেবে তিনি ইরানের ইসলামিক কনসাল্টেটিভ অ্যাসেম্বলির স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হন।

আরও পড়ুন: নোভোএয়ারে যান্ত্রিক ত্রুটিতে প্রধানমন্ত্রীর বিমান উপদেষ্টাকে নিয়ে জরুরি অবতরণ

বৈঠকে ইরানের স্পিকার বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানান। এ সময় আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করে হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, জাতীয় এই শোকের মুহূর্তে বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে ইরানের সরকার ও জনগণের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা এবং সংহতি জানানো হচ্ছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও ইরানের মধ্যে শতাব্দীপ্রাচীন বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, গভীর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তি রয়েছে। ভবিষ্যতে দুই দেশের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।

আরও পড়ুন: মির্জা ফখরুল: ‘শরিয়াহভিত্তিক ইসলামিক রাষ্ট্র বাংলাদেশের মানুষের সঙ্গে যায় না’

বৈঠকে সাম্প্রতিক সময়ে ইরান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে স্বাক্ষরিত শান্তি সমঝোতা স্মারক বাস্তবায়নে ইরানের স্পিকারের ভূমিকার প্রশংসা করেন বাংলাদেশের স্পিকার। তিনি বলেন, এ চুক্তি ইরানসহ পুরো অঞ্চলে স্থায়ী শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধি প্রতিষ্ঠায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি বাংলাদেশ শান্তিপূর্ণ সংলাপ ও কূটনৈতিক উদ্যোগের মাধ্যমে সব ধরনের বিরোধ নিষ্পত্তির পক্ষে অবস্থান অব্যাহত রাখবে বলেও উল্লেখ করেন।

এ সময় দুই দেশের সংসদীয় ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদারের লক্ষ্যে সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের জন্য ইরানের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফকে আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানান স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

বৈঠকে ইরানের ডেপুটি স্পিকার, ইসলামিক কনসাল্টেটিভ অ্যাসেম্বলির সদস্যরা এবং তেহরানে নিযুক্ত বাংলাদেশের দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।