তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন করে বাংলাদেশ গড়ব: মঈন খান

Sadek Ali
জাহাঙ্গীর আলম প্রধান, আশুলিয়া
প্রকাশিত: ৮:০০ অপরাহ্ন, ২২ অগাস্ট ২০২৬ | আপডেট: ৮:০০ অপরাহ্ন, ২২ অগাস্ট ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের নবনিযুক্ত মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান বলেছেন, বাংলাদেশের ইতিহাসের একটি ক্রান্তিলগ্নে জনগণের ভোটে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের হাল ধরেছেন। তাঁর নেতৃত্বে বাংলাদেশকে গণতন্ত্র ও উন্নয়নের পথে এগিয়ে নেওয়া এবং মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে।

শনিবার (২২ আগস্ট) দুপুরে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

আরও পড়ুন: তেজগাঁও থানা আকস্মিক পরিদর্শনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, সেবা নিশ্চিতের নির্দেশ

ড. আবদুল মঈন খান বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি ক্রান্তিলগ্নে আমাদের প্রিয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান এই দেশের হাল ধরেছেন। তিনি জনগণের ভোটে, বাংলাদেশের কোটি কোটি মানুষের ভোটে দীর্ঘ ১৫ বছরের স্বৈরাচারের পর দেশকে গণতন্ত্রের পথে এগিয়ে নেওয়া, উন্নয়নের পথে এগিয়ে নেওয়া এবং মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে নিজেকে নিয়োজিত করেছেন।

নতুন মন্ত্রিসভায় সংযোজনের বিষয়ে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী যে মন্ত্রিসভা ছয় মাস আগে গঠন করেছিলেন, সময়ের সঙ্গে মন্ত্রিসভায় সংযোজন বা পরিবর্তন বিশ্বের বিভিন্ন দেশেই একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। বাংলাদেশের বিদ্যমান সমস্যাগুলো সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী সম্পূর্ণভাবে অবগত। এসব সমস্যা দূর করে দেশকে একটি গতিশীল রাষ্ট্রে পরিণত করা এবং বিশ্বে বাংলাদেশের সুনাম পুনঃপ্রতিষ্ঠাই সরকারের লক্ষ্য।

আরও পড়ুন: সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ ও মাদক ব্যবসায়ীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

আবদুল মঈন খান বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি ক্রান্তিকালে যখন দেশের মানুষ কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে পড়েছিল এবং স্বাধীনতার যুদ্ধের উপযুক্ত সময় এসেছিল, তখন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন।

তিনি বলেন, এই ইতিহাসগুলো আজ নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতে হয়। কারণ, বাংলাদেশে গণতন্ত্রের যে পরিক্রমা, তা বারবার ব্যাহত হয়েছে। আর বিএনপি বারবার সেই গণতন্ত্রকে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করে দেশকে গণতন্ত্রের পথে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছে।

বিএনপির রাজনীতিতে খালেদা জিয়ার ভূমিকার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ১৯৮১ সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর ১৯৮২ সালে বিএনপির হাল ধরেছিলেন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। তিনি রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রাম করে নিজেকে ‘আপসহীন নেত্রী’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন। পরে ১৯৯১ সালে জনগণের ভোটে বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন।

ড. আবদুল মঈন খান বলেন,সেই ধারাবাহিকতায় আজ ২০২৬ সালে এসে আবারও জনগণের ভোটে প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা এই দেশকে নতুন করে গড়ে তুলব, ইনশাআল্লাহ।

এসময় জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন নবনিযুক্ত বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্রু, তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আন্দালিভ রহমান, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির এবং ধর্মবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ শামীম কায়সার।