বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর স্বাধীন তদারকির আহ্বান জাতিসংঘের

Shahrier Islam Pallab
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ৮:১৭ পূর্বাহ্ন, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ৮:১৯ পূর্বাহ্ন, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ফলকার তুর্ক। ছবিঃ সংগৃহীত
জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ফলকার তুর্ক। ছবিঃ সংগৃহীত

বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কার্যক্রম স্বাধীনভাবে তদারকির জন্য একটি শক্তিশালী জাতীয় প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ফলকার তুর্ক। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) জেনেভায় জাতিসংঘ কার্যালয়ে মানবাধিকার পরিষদের ৬৩তম অধিবেশনে বৈশ্বিক মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান। 

ফলকার তুর্ক বলেন, আমরা বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাজের ওপর নজরদারি করতে পারে, এমন একটি শক্তিশালী ও স্বাধীন জাতীয় প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে আসছি।

আরও পড়ুন: ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারে পানি বণ্টনসহ অমীমাংসিত ইস্যু সমাধানের আহ্বান রাষ্ট্রপতির

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের বিক্ষোভে গুরুতর মানবধিকার লঙ্ঘনের বিষয়ে জাতিসংঘের মানবধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের দপ্তর ২০২৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি একটি তথ্য অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করে। ওই প্রতিবেদনে বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতির উন্নতির লক্ষ্যে ৪৪টি সুপারিশ করা হয়। তার মধ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকাণ্ড তদারকিতে স্বাধীন নজরদারির ওপর গুরুত্বারোপের পাশাপাশি গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় স্বাধীন তদন্ত, প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার, বেসামরিক নজরদারি ও জবাবদিহির ব্যবস্থা গড়ে তোলার সুপারিশ ছিল।

জাতিসংঘের সনদভিত্তিক সংস্থাগুলোর (ট্রিটি বডি) সুপারিশে বিশেষভাবে জোর দিয়ে বলা হয়েছে, সশস্ত্র বাহিনী, পুলিশ ও অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে ওঠা মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগগুলো সরাসরি তদন্ত করার এখতিয়ার জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে দিতে হবে।

আরও পড়ুন: ডেঙ্গু প্রতিরোধে ১২ সেপ্টেম্বর থেকে তিন মাসের বিশেষ অভিযান

ফলকার তুর্ক তার বক্তব্যে যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন কর্তৃপক্ষের হেফাজতে থাকা অবস্থায় ‍অভিবাসীদের মৃত্যু এবং ‘সম্পর্কহীন’ ও ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ দেশে জোরপূর্বক তাদের অনেককে ফেরত পাঠানোসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপেরও সমালোচনা করেন। তিনি জানান, শুধু ২০২৬ সালেই অভিবাসন কর্তৃপক্ষের হেফাজতে থাকা অবস্থায় মোট ২৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।