জাতিসংঘ অধিবেশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ সার্থক হয়েছে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

Shahrier Islam Pallab
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ৫:৫৬ অপরাহ্ন, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ৬:৩৬ অপরাহ্ন, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেছেন, জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে বহুপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদার ও সম্প্রসারণের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। তাঁর মতে, এবারের অধিবেশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ সামগ্রিকভাবে সফল ও ফলপ্রসূ হয়েছে।

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তা‌রেক রহমা‌নের অংশগ্রহণের বিষয় তুলে ধরতে আজ সোমবার সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এই সংবাদ সম্মেলনে এসব মন্তব্য ক‌রেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।

আরও পড়ুন: এসএসসি পুনর্মূল্যায়নে ফেল থেকে পাস, শিক্ষকদের জবাবদিহিতায় আনা হবে: শিক্ষামন্ত্রী

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সার্বিক বিবেচনায় এবারের অধিবেশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ সার্থক হয়েছে। এই সফর নতুন সরকারের অঙ্গীকার ও প্রত্যাশাকে বিশ্ব পরিসরে তুলে ধরার পাশাপাশি দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় সহযোগিতা সম্প্রসারণের একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ সৃষ্টি করেছে।

জাতিসংঘ অধিবেশন উপলক্ষে চার দিনের সফরে প্রধানমন্ত্রী সব মিলিয়ে মোট ৩০টি আন্তর্জাতিক কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন বলে জানান প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন। তিনি জানান, এর মধ্যে সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে একটি ঐতিহাসিক ভাষণ দিয়েছেন, ৭টি উচ্চ-পর্যায়ের সভায় বক্তব্য রেখেছেন, ১১টি দেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেছেন এবং জাতিসংঘসহ ১০টি আন্তর্জাতিক সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।

আরও পড়ুন: আদালতে পুলিশ সদস্য ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার

বিভিন্ন সভায় ও দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে অংশগ্রহণকারী সব অতিথিই স্বতঃস্ফূর্তভাবে বাংলাদেশের নতুন গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার প্রতি তাদের অকুণ্ঠ সমর্থন ব্যক্ত করেছেন বলে দাবি করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।

তি‌নি ব‌লেন, দীর্ঘদিন পর জনগণের নিরঙ্কুশ ভোটে নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের আত্মবিশ্বাস, সম্মান এবং আত্মমর্যাদা নতুন উচ্চতায় উন্নীত করেছেন এই সফরে।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বোয়িং কেনার চুক্তি নিয়ে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বোয়িং কেনার চুক্তি হয়েছে এবং সেটি একটি উন্মুক্ত পরিবেশে স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের মাধ্যমেই হয়েছে, যেখানে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবং আমাদের দেশের চারজন মন্ত্রী উপস্থিত ছিলেন।

‘আমাদের চাহিদা অনুযায়ী আমরা বোয়িং কিনছি। ঐতিহাসিকভাবেই বাংলাদেশ বোয়িংয়ের ভারী বিমান ব্যবহার করে আসছে। তবে আমাদের মিশ্র বহরের প্রয়োজন আছে। এই একবিংশ শতাব্দীতে রুট বাড়াতে হলে এবং এভিয়েশন হাব হতে হলে আমাদের মিশ্র বহর লাগবে।

বাংলাদেশের প্রাপ্ত বিমানের বহর আরো অনেক বাড়ানো দরকার।’ প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, এখানে কোনো লুক্কায়িত এজেন্ডা নেই। এটি সম্পূর্ণ আমাদের প্রয়োজনের ভিত্তিতে করা হয়েছে এবং খোলামেলাভাবেই আপনাদের জানানো হয়েছে। প্রয়োজন হলে আমরা আরো কিনব। যাত্রীসেবার মান বাড়ানো এবং একটি ক্রমবর্ধমান এভিয়েশন হাব হওয়ার জন্য আমাদের বহর সম্প্রসারণ করা প্রয়োজন।