নির্বাচন বর্জনের কোনো সিদ্ধান্ত নেই ১১-দলীয় জোটের: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর

Sadek Ali
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ১২:০৭ অপরাহ্ন, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ | আপডেট: ২:১৩ অপরাহ্ন, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় জোটের পক্ষ থেকে নির্বাচন বর্জন বা ভোট বর্জনের কোনো পরিকল্পনা নেই বলে স্পষ্ট ঘোষণা দিয়েছেন ঢাকা-৮ আসনের জোট সমর্থিত প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর পল্টন এলাকার একাধিক ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।

আরও পড়ুন: ভোট দিয়ে জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী তারেক রহমান

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, জোটের পক্ষ থেকে সার্বিক নির্বাচনী পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত ভোটকেন্দ্রগুলোতে পরিবেশ তুলনামূলক শান্ত থাকায় শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত নির্বাচনী মাঠে থাকার সিদ্ধান্তে অটল রয়েছে ১১-দলীয় জোট।

তিনি বলেন, “অনেক বছর পর মানুষ উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দিতে আসছে। এই অংশগ্রহণই প্রমাণ করে বাংলাদেশ গণতন্ত্রের উত্তরণের পথে এগোচ্ছে।”

আরও পড়ুন: নির্বাচনে বিএনপির জয়ের সম্ভাবনা বেশি

ভোটারদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ভয়ভীতি উপেক্ষা করে যদি সাধারণ মানুষ কেন্দ্রে এসে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন, তাহলে ব্যালটের মাধ্যমেই একটি নীরব কিন্তু শক্তিশালী পরিবর্তন সূচিত হবে।

তবে নির্বাচনের সুষ্ঠুতা নিয়ে শঙ্কাও প্রকাশ করেন এই এনসিপি নেতা। তার অভিযোগ, ঢাকা-৮ আসনে ‘লাঙ্গল’ ও ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের প্রার্থীরা পরস্পর সমন্বয়ের মাধ্যমে নির্বাচনী প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছেন। তিনি দাবি করেন, ধানের শীষের পক্ষে ডামি প্রার্থী দাঁড় করিয়ে জাতীয় পার্টি ভোটের সমীকরণ প্রভাবিত করতে চাচ্ছে।

এ ছাড়া তিনি অভিযোগ করেন, মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ কেন্দ্রসহ কয়েকটি স্থানে বিএনপির প্রার্থীর এজেন্টরা শাপলা কলি প্রতীকের পোলিং এজেন্টদের কেন্দ্রে প্রবেশে বাধা দিয়েছেন। পরে সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে এবং তার এজেন্টরা কেন্দ্রে প্রবেশের সুযোগ পান বলে তিনি জানান।

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, “বিচ্ছিন্ন কিছু বাধা থাকলেও সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার ক্ষমতা কারও নেই।” তিনি প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ছোটখাটো অভিযোগগুলো দ্রুত নিষ্পত্তি করা হলে নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা আরও বাড়বে।

১১-দলীয় জোটের প্রার্থীরা সারা দেশে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী উল্লেখ করে তিনি বলেন, ৫ আগস্ট-পরবর্তী নতুন বাংলাদেশে জনগণ পরিবর্তন ও সঠিক নেতৃত্বকেই বেছে নেবে। ঢাকা-৮ আসনের বিভিন্ন কেন্দ্রে ভোটারদের দীর্ঘ সারিই সেই প্রত্যাশার প্রতিফলন।