অবশেষে জনসমক্ষে লিওনেল মেসি!

Any Akter
ক্রীড়া ডেস্ক
প্রকাশিত: ১১:৪৫ পূর্বাহ্ন, ২৬ জুলাই ২০২৬ | আপডেট: ১:১০ অপরাহ্ন, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ ফাইনালের পর প্রায় এক সপ্তাহ জনসমক্ষে দেখা যায়নি লিওনেল মেসিকে। অবশেষে নীরবতা ভেঙে প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে এলেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা। তবে ফুটবলার হিসেবে নয়, পরিবারের প্রতিষ্ঠিত ক্লাব লিওনেস এফসি-র ম্যাচের দর্শক হয়ে স্টেডিয়ামে উপস্থিত হন তিনি।

আর্জেন্টাইন রেডিও স্টেশন কাদেনা ৩ রোজারিও প্রকাশিত এক ভিডিওতে দেখা যায়, স্টেডিয়ামের ব্যালকনিতে কালো রঙের একটি হুডি পরে দাঁড়িয়ে আছেন মেসি। তাঁকে দেখতে পেয়ে উপস্থিত দর্শকেরা তাঁর নাম ধরে স্লোগান দিতে শুরু করেন। জবাবে হাসিমুখে হাত নেড়ে সমর্থকদের শুভেচ্ছার উত্তর দেন আটবারের ব্যালন ডি'অরজয়ী এই ফুটবলার।

আরও পড়ুন: ৮ বছর পর ওয়ানডে দলে ৪০ বছরের ক্রেমার

রেডিও স্টেশনটি তাদের অফিসিয়াল এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্টে জানায়, মেসি আর্জেন্টিনার অরোইয়ো সেকো শহরে লিওনেস এফসির ম্যাচ দেখতে গিয়েছিলেন। সেখানে তিনি কাদেনা ৩-এর জন্য একটি বিশেষ শুভেচ্ছা বার্তাও দেন।

বিশ্বকাপের ফাইনালে গত ১৯ জুলাই নিউইয়র্ক-নিউ জার্সিতে স্পেনের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার পরাজয়ের পর এটিই মেসির প্রথম জনসমক্ষে উপস্থিতি। ফাইনালের দুই দিন পর তিনি আর্জেন্টিনায় ফিরলেও জাতীয় দলের অন্য ফুটবলারদের সঙ্গে একই বিমানে ফেরেননি। এরপর কয়েক দিন তাঁকে প্রকাশ্যে কোথাও দেখা যায়নি।

আরও পড়ুন: ‘তামিম খেলোয়াড় ছিল, আমরা খেলোয়াড়দের সুবিধা-অবকাঠামোকে প্রাধান্য দিচ্ছি’

লিওনেস এফসি মেসি পরিবারের প্রতিষ্ঠিত একটি ক্লাব। ক্লাবটির সভাপতি তাঁর বড় ভাই মাতিয়াস মেসি। বর্তমানে দলটি আর্জেন্টিনার চতুর্থ বিভাগে খেলছে এবং তাদের হোম ভেন্যু আন্তোনিও দি জাকোমো স্টেডিয়াম, যা অরোইয়ো সেকোতে অবস্থিত।

এদিকে, আগামী সপ্তাহে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া মেজর লিগ সকার (MLS) অল-স্টার ম্যাচে খেলছেন না মেসি। এমএলএস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিশ্বকাপে নিজ নিজ জাতীয় দলের হয়ে শেষ পর্যায় পর্যন্ত খেলা ফুটবলারদের অল-স্টার ম্যাচে অংশগ্রহণ থেকে বিশেষ ছাড় দেওয়া হয়েছে। সেই সিদ্ধান্তের আওতায় রয়েছেন মেসিও।

উল্লেখ্য, গত বছর অল-স্টার ম্যাচে অংশ না নেওয়ায় সমালোচনার পাশাপাশি শাস্তির মুখেও পড়েছিলেন ইন্টার মায়ামির এই তারকা। তবে এবার বিশ্বকাপ এমএলএস মৌসুমের মাঝপথে অনুষ্ঠিত হওয়ায় লিগ সাত সপ্তাহের বিরতিতে ছিল। সে কারণেই বিশ্বকাপ ফাইনাল পর্যন্ত খেলা ফুটবলারদের জন্য বিশেষ নীতি গ্রহণ করেছে এমএলএস।