হাসিনার এমপি-মন্ত্রীদের ঘনিষ্ঠ এখন টাঙ্গাইলে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-১ (মধুপুর-ধনবাড়ী) আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ফকির মাহবুব আনাম স্বপন (স্বপন ফকির) এর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন এলাকার নেতা-কর্মীরা।
টাঙ্গাইল-২ (ভুয়াপুর-গোপালপুর) এর আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি ছোট মনিরকে সংবর্ধনা প্রদান ও স্বৈরাচার সরকারের নিকট থেকে সুবিধা নিয়ে অবৈধ অর্থ উপার্জন ও বিদেশে ক্যাসিনো জোয়ারের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। স্থানীয় নেতা-কর্মীরা এবার এই সুবিধাবোগী নেতার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
আরও পড়ুন: আশুলিয়ায় ৪ বছরের সাজাপ্রাপ্ত ও ১৫ মামলার পলাতক আসামি গ্রেপ্তার
বিগত ১৭ বছরে পতিত হাসিনা সরকারের এমপি ও মন্ত্রীদের সঙ্গে আঁতাত করে চলায় তার বিরুদ্ধে কোনো মামলা-মোকদ্দমা হয়নি। এর পরেও তিনি বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য। তার প্রভাবে ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের মামলা ও হামলার শিকার ত্যাগী বিএনপি নেতারা কোণঠাসা।
মধুপুর-ধনবাড়ী এলাকাবাসী অভিযোগ করেছেন যে স্বপন ফকির শহরজুড়ে শেখ মুজিব ও আওয়ামী নেতাদের পাশে নিজের ছবি দিয়ে ব্যানার ও ফেস্টুন লাগিয়ে আওয়ামী লীগপন্থী হিসাবে নিজেকে ১৭ বছর নিরাপদ রেখেছিলেন।
আরও পড়ুন: যৌথবাহিনীর অভিযানে উখিয়াতে ১৫শ রোহিঙ্গা আটক
৫ আগস্টের পর স্বপন ফকির আওয়ামী লীগের শতাধিক নেতাকর্মী, যারা বিগত ১৭ বছর বিএনপির নেতাকর্মীদের মামলা, হামলা ও নির্যাতন করেছে, তাদের নিরাপত্তা দেওয়ার অভিযোগ ইতিমধ্যেই বিএনপির হাই কমান্ডকে পাঠানো হয়েছে।
স্বপন ফকিরের টাঙ্গাইল-২ আসনের আওয়ামী লীগের সাবেক প্রভাবশালী এমপি ছোট মনিরের পাশে বসে হাজার হাজার জনতার মাঝে এক ভিডিওতে ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকার ও তার ফ্যাসিস্ট পুলিশকে ধন্যবাদ দিতে দেওয়ার ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।
গত ১৭ বছর টাঙ্গাইল-১ (মধুপুর-ধনবাড়ী) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য-মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ড. আব্দুর রাজ্জাকের সাথে আঁতাত করে জামাই আদরে ব্যবসা পরিচালনা করেছিলেন স্বপন ফকির। তার বিরুদ্ধে ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের ডামি নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের পক্ষে প্রচারণায় অংশ নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
৫ গণঅভ্যুত্থানের পর আওয়ামী লীগ পালিয়ে গেলে এলাকার বিএনপি নেতাকর্মীদের দিয়ে বিভিন্ন স্থাপনা দখলের অভিযোগও উঠেছে। এছাড়া অর্থের বিনিময়ে আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মী ও সমর্থক ব্যবসায়ীদের সেইফের দায়িত্ব নিয়ে মোটা অংকের টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে।





