২৮ নভেম্বর ৬,৭১৭টি গেট পাস ইস্যু
ধারাবাহিক সফলতায় চট্টগ্রাম বন্দরের নতুন রেকর্ড
ডিজিটাল রূপান্তর ও প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থাপনার ফল হিসেবে চট্টগ্রাম বন্দর প্রতিদিনই নতুন সাফল্যের পথে এগিয়ে যাচ্ছে। দেশের সর্ববৃহৎ সমুদ্রবন্দর হিসেবে জাতীয় বাণিজ্য প্রবাহ, আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে বন্দরটির অবদান দীর্ঘদিন ধরে অপরিবর্তনীয় এবং এখন আরও দৃঢ়ভাবে প্রতিফলিত হচ্ছে। অপারেশন ব্যবস্থাপনা, ডকুমেন্ট প্রসেসিং ও কন্টেইনার হ্যান্ডলিংয়ে দ্রুততা ও স্বচ্ছতা বৃদ্ধির মাধ্যমে ডিজিটাল অপারেশন এখন বন্দরের কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। টার্মিনাল অপারেটিং সিস্টেম অ্যাপ ব্যবহার করে শতভাগ অনলাইনে গেট পাস ইস্যু করার রেকর্ড স্থাপনের পর আজও সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে পূর্বের রেকর্ড ভেঙেছে চট্টগ্রাম বন্দর। ২৮নভেম্বর তারিখে মোট ৬,৭১৭টি গেট পাস ইস্যু করা হয়েছে, যার মধ্যে কনসাইনি গেইট পাস: ৪,৮০৩টি, অফ-ডক গেইট পাস: ১,৯১৪টি। এটি পূর্বের সাফল্যকে ছাড়িয়ে নতুন মাইলফলক হিসেবে রেকর্ড তালিকায় যুক্ত হলো।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ টার্মিনাল অপারেটিং সিস্টেম সহ অন্যান্য ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারের ফলে কার্যক্রম আরও আধুনিক, নিয়ন্ত্রিত ও দ্রুতগতির হয়েছে। প্রস্তুতিতে একদিকে যেমন চালকরা পূর্বের তুলনায় আরো কম সময়ে গেট পাস সংগ্রহ করতে পারছেন এবং সহজেই বন্দর অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে পারছেন ঠিক তেমনি কন্টেইনার হ্যান্ডলিং ও ট্রেড মুভমেন্ট উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।যার সুফল ভোগ করছেন সকল স্তরের ব্যবসায়ীরা।
আরও পড়ুন: সুন্দরবনে মাটির নিচে মিঠা পানির উৎস শনাক্ত
চট্টগ্রাম বন্দরের এই ধারাবাহিক সাফল্য প্রমাণ করে—স্মার্ট পোর্ট বাস্তবায়ন এখন বাস্তবচিত্রে রূপ নিয়েছে। প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার বজায় থাকলে ভবিষ্যতে আরও বড় অর্জন হবে এবং বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে আরও প্রতিযোগিতামূলক অবস্থানে পৌঁছাবে।





