আশুলিয়ায় ময়লার ব্যবসা দখলে তৎপর যুবদল নেতা ইদ্রিস

Sadek Ali
আশুলিয়া প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ২:৫২ অপরাহ্ন, ১৭ মার্চ ২০২৬ | আপডেট: ৩:৩০ পূর্বাহ্ন, ২৩ মার্চ ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

আশুলিয়ার ভাদাইল এলাকায় ময়লার ব্যবসা দখলকে কেন্দ্র করে গাড়ি ভাঙচুর, হামলা ও হুমকির অভিযোগ উঠেছে আশুলিয়া থানা যুবদলের সহসভাপতি ইদ্রিস আলীর বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে ভয়ভীতি দেখিয়ে ব্যবসা ছাড়তে চাপ দিয়ে আসছিলেন তিনি।

সোমবার (১৬ মার্চ) সকালে এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী এমতাজউদ্দিন ভুঁইয়া। এ ঘটনায়  তার মেয়ে সাবিনা ইয়াসমিন আশুলিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

আরও পড়ুন: আমি সেই দিন হবো ক্ষান্ত, যেই দিন রোগীরা হবে শান্ত: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ভুক্তভোগীর মেয়ে সাবিনা ইয়াসমিন জানান, গত দুই থেকে তিন মাস ধরে ইদ্রিস আলী তার বাবাকে ময়লার ব্যবসা ছেড়ে দেওয়ার জন্য নিয়মিত হুমকি দিয়ে আসছিলেন। ঘটনার দিন সকালে তাদের শ্রমিকরা কাজ করতে গেলে ইদ্রিস বাধা দেন। এ সময় সাবিনার মা প্রতিবাদ করলে তাকেও ভয়ভীতি দেখানো হয়। তিনি বলেন, ইদ্রিস মাকে বলে গাড়িটা ভালো রাখতে চান, না খারাপ—সিদ্ধান্ত নেন।

পরবর্তীতে কাজ শেষে গাড়িটি গ্যারেজে রাখার পর বিকেলে ইদ্রিস আলীর নেতৃত্বে প্রায় ২০ জনের একটি দল রামদা, কুড়াল ও লাঠিসোটা নিয়ে এসে গাড়িটি ভাঙচুর করে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই হামলাকারীরা সরে পড়ে।

আরও পড়ুন: উলিপুরে ঈদের দিন দুপুরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে লাখ টাকার ক্ষতি

অভিযোগে আরও বলা হয়, থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পর পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে ইদ্রিসের অফিসে গেলে সেখানেও পুলিশের সামনে ভুক্তভোগীদের প্রকাশ্যে হুমকি দেওয়া হয়। সাফিনার দাবি,পুলিশের সামনেই আমাদের এলাকা ছাড়তে বলা হয়েছে। আমরা এখন চরম নিরাপত্তাহীনতায় আছি।

ভুক্তভোগী পরিবার জানায়, তারা ভাদাইল এলাকার বাসাবাড়ির উচ্ছিষ্ট ময়লা পরিষ্কার করে জীবিকা নির্বাহ করেন। এই ব্যবসা দখল করতেই দীর্ঘদিন ধরে চাপ ও হুমকি দিয়ে আসছিলেন অভিযুক্ত।

ঘটনার ভিডিও ফুটেজসহ বিভিন্ন প্রমাণ তাদের কাছে রয়েছে বলেও দাবি করেন তারা। এ বিষয়ে দ্রুত তদন্ত ও দোষীদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

অভিযোগ অস্বীকার করে ইদ্রিস আলী বলেন, এসব বিষয়ে আমি কিছুই জানি না।

আশুলিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মাহমুদুল হাসান বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।