লক্ষ্মীপুরে অটোচালক হত্যায় ৩ যুবক গ্রেপ্তার

Sanchoy Biswas
জাহাঙ্গীর লিটন, লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ৯:৪০ অপরাহ্ন, ১২ এপ্রিল ২০২৬ | আপডেট: ১১:১৪ অপরাহ্ন, ২৪ জুন ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

লক্ষ্মীপুরে পাওনা টাকা দেওয়ার কথা বলে ডেকে নিয়ে ফরহাদ হোসেন (৩০) নামে এক অটোরিকশা চালককে হত্যার ঘটনায় ৩ যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা হলেন মো. শাকিল, মাহফুজুল ইসলাম মামুন ও মো. সজল। শনিবার (১১ এপ্রিল) বিকেলে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গ্রেপ্তার শাকিল সদর উপজেলার তেওয়ারীগঞ্জ ইউনিয়নের পূর্ব চরমনসা গ্রামের বাবুল হোসেনের ছেলে, সজল একই এলাকার হাফিজ উল্লাহর ছেলে ও মামুন ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলার ছাদেকপুর এলাকার আবুল খায়েরের ছেলে।

আরও পড়ুন: ওয়ালটন প্লাজার উদ্যোগে লক্ষ্মীপুরে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প

নিহত ফরহাদ সদর উপজেলার তেওয়ারীগঞ্জ ইউনিয়নের পূর্ব চরমনসা গ্রামের দিদার হোসেনের ছেলে ও পেশায় অটোরিকশা চালক।

নিহতের স্ত্রী নার্গিস আক্তার জানান, পাওনা টাকা দিবে বলে বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দিবাগত রাত ২টার দিকে এক ব্যক্তি ফরহাদকে ফোন করে বাড়ি থেকে ডেকে নেয়। রাতে ফরহাদ আর বাড়ি ফেরেনি। ভোরে মোবাইলফোনে কল দিলে বন্ধ পাওয়া যায়। সকালে বাড়ির এক কিলোমিটার দূরে ফসলি ক্ষেতে তার মরদেহ পড়ে থাকার খবর পান তিনি। টাকা লেনদেনকে কেন্দ্র করে তাকে হত্যা করা হয়েছে। তার ডান চোখ উপড়ে ফেলা হয়।

আরও পড়ুন: এমপি সালাহউদ্দিন আইউবীর উদ্যোগে জাতীয় সংসদ ভবন পরিদর্শনে কাপাসিয়ার ৮০ শিক্ষার্থী

পুলিশ জানায়, পূর্ব চরমনসা এলাকায় ফরহাদকে হত্যা করে মরদেহ ফেলে রেখে পালিয়ে যায় অজ্ঞাত আসামিরা। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সকালে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ময়নাতদন্ত শেষে পুলিশ পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করে। এদিকে হত্যার ঘটনায় ফরহাদের বাবা দিদার বাদী হয়ে অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। তথ্যপ্রযুক্তি সহায়তায় ঘটনার মূল রহস্য উদঘাটনসহ ৩ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে কী কারণে ফরহাদকে হত্যা করা হয়েছে তা জানায়নি পুলিশ।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমী বলেন, হত্যার ঘটনায় জড়িত ৫ জনের মধ্যে ৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়। আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে।