টাঙ্গাইলে ১৪৪ ধারা উপেক্ষা করে হামলা-ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ, উত্তেজনা অব্যাহত

Sanchoy Biswas
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ৪:৩৩ অপরাহ্ন, ০৫ জুন ২০২৬ | আপডেট: ১০:৩৩ অপরাহ্ন, ০৫ জুন ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

টাঙ্গাইলের গোপালপুর ও ভূঞাপুর উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘাতের জেরে প্রশাসন ১৪৪ ধারা জারি করলেও তা উপেক্ষা করে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

শুক্রবার (৫ জুন) সকালে গোপালপুর উপজেলার নলীন বাজার এবং ভূঞাপুর উপজেলার জগৎপুরা এলাকায় নতুন করে হামলার ঘটনা ঘটে। পরে জগৎপুরা এলাকায় কয়েকটি ঘরবাড়িতে আগুন দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া যায়। এতে দুই উপজেলার সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

আরও পড়ুন: চুয়াডাঙ্গা সীমান্তে গুলিবিদ্ধ বাংলাদেশিকে ধরে নিয়ে গেছে বিএসএফ

প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঠেকাতে গোপালপুরের নলীন বাজার, গোলপেঁচা এবং ভূঞাপুর উপজেলার জগৎপুরা এলাকায় বিপুল সংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতের সংঘর্ষে একজন নিহত হওয়া, ঘরবাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনার পর এবং পুনরায় সহিংসতার আহ্বানের অভিযোগে রাত ১২টার পর থেকে ওই এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়।

স্থানীয় সূত্র জানায়, দোকানে বাকি খাওয়াকে কেন্দ্র করে গোপালপুর উপজেলার গোলপেঁচা এবং ভূঞাপুর উপজেলার জগৎপুরা গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে গত ২২ এপ্রিল সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সেই বিরোধের জের ধরে বৃহস্পতিবার বিকেলে দুই পক্ষের মধ্যে আবারও সংঘর্ষ বাধে।

আরও পড়ুন: শুধু দল করলেই ক্ষমতায় থাকা যায় না, জনগণের রাজনীতি করতে হবে: জহির উদ্দিন স্বপন

সংঘর্ষ চলাকালে দেশীয় অস্ত্র ব্যবহার, ভাঙচুর এবং অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এতে কালাম তালুকদারসহ বেশ কয়েকজন আহত হন। পরে আহতদের ভূঞাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক কালাম তালুকদারকে মৃত ঘোষণা করেন।

আহত অন্যদের টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, সংঘর্ষের সময় অন্তত ১০টি বাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর করা হয়েছে।

ভূঞাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাব্বির রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে কাজ করতে গিয়ে পাঁচজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।