শুভ্র কাশফুলের মায়াবী আবহ: বাকঁখালীর তীরে দর্শনার্থীদের ঢল
শরতের আগমনে নদীপাড়ের নরম হাওয়ায় দোল খাচ্ছে সাদা কাশফুল। শুভ্রতার এই মায়াবী ছোঁয়ায় নতুন রূপ পেয়েছে বাঁকখালী নদীর তীর। কক্সবাজার শহরের কস্তুরাঘাট খুরুশকুল নতুনব্রীজ সংলগ্ন বাকঁখালী নদীর তীরে ঢেকে গেছে সাদা চাদরে, আর সেই স্নিগ্ধ রূপ উপভোগ করতে প্রতিদিন বিকেলে বাঁধভাঙা মানুষের ভিড় জমছে বাকঁখালী নদী এলাকায়।
বিকেলের সোনাঝরা রোদ যখন কাশফুলের ওপর পড়ে, তখন তৈরি হয় এক মনোমুগ্ধকর পরিবেশ। শহরের ইট-কাঠের ব্যস্ততা থেকে কিছুটা স্বস্তি পেতে সব বয়সের দর্শনার্থীরা ছুটিয়ে আসছেন এখানে। বিশেষ করে তরুণ-তরুণী ও পরিবার নিয়ে আসা মানুষেরা কাশফুলের শুভ্রতার মাঝে নিজেদের বন্দী করছেন রঙিন ফ্রেমে। মুহূর্তগুলো স্মরণীয় করে রাখতে সবাই মেতে উঠছেন ছবি তোলা ও সেলফিতে।
আরও পড়ুন: মুন্সীগঞ্জে বিএনপির ১৩ নেতাকর্মী বহিষ্কারের ‘বিজ্ঞপ্তি’ ভুয়া
শহরের সিটি কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী রুখসানা আক্তার বলেন, বাকালি তেরে গড়ে ওঠে কাশফুল দেখতে এসেছি বান্ধবীদের সাথে নিয়ে ছবি তুলেছি অনেক আনন্দ লাগছে। শহরের কাছাকাছি এখানে শরৎ এলে কাশফুলের সৌন্দর্য আমরা দেখতে পাই। এটাকে সংরক্ষণ করা গেলে কক্সবাজারে বিনোদনের জন্য আরেকটিবাড়তি পর্যটন স্পট হবে।
ঘুরতে আসা আর একজন দর্শনার্থী জানান সাইফুল ইসলাম বলেন, শহরের কাছাকাছি এমন মনোরম পরিবেশ সত্যি মন ভালো করে দেয়। নদীর হালকা বাতাস আর কাশফুলের এই শুভ্রতা পুরো দিনের ক্লান্তি ভুলিয়ে দেয়।
আরও পড়ুন: সাংবাদিক গ্রেফতার ও মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে বন্দর প্রেসক্লাবের মানববন্ধন
শুধু স্থানীয়রাই নন, আশেপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকেও প্রকৃতিপ্রেমীরা আসছেন এই কাশবন দেখতে। বিকেলের পড়ন্ত আলোয় বাকঁখালীর তীরে তৈরি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ। প্রকৃতিপ্রেমীদের মতে, নদীপাড়ের এমন প্রাকৃতিক সৌন্দর্য সংরক্ষণ করা গেলে তা স্থানীয় বিনোদনের জন্য একটি চমৎকার স্পট হিসেবে গড়ে উঠবে।





