সাতক্ষীরা কুলিয়ায় তরমুজ চাষ করে কৃষক আবুল খালেক স্বাবলম্বী

Sadek Ali
সৈয়দ আব্দুস সালাম পান্না, সাতক্ষীরা
প্রকাশিত: ১২:২৭ অপরাহ্ন, ১০ অগাস্ট ২০২৫ | আপডেট: ৯:৪৬ অপরাহ্ন, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

সাতক্ষীরা দেবহাটা উপজেলার কুলিয়া ইউনিয়নের শশাডাঙ্গায় মৎস্য ঘেরের ভেড়ীতে মাচা তৈরি করে সুপ্রিমহানি জাতের তরমুজ চাষ করে এক কৃষক স্বাবলম্বী হয়েছেন।

তরমুজ চাষী আবুল খালেক জানান, আমি দীর্ঘ দিন যাবৎ ৪০ বিঘা জমিতে সাদা মাছের চাষ করে আসিতেছি। এবছর দেবহাটা উপজেলা উপসহকারী কৃষি অফিসার মোস্তফা মোস্তাক আহম্মেদ এর সহযোগিতায় ও পরামর্শে আমার উক্ত ৪০ বিঘা জমির মৎস্য ঘেরের ভেড়ী বাঁধের দুই পার্শ্বে মাচা তৈরি করে সুপ্রিমহানি জাতের তরমুজ চাষ করেছি। তার সহযোগিতায় উপজেলা কৃষি অফিস থেকে ৪ প্যাকেট সুপ্রিমহানি জাতের তরমুজ এর বীজ, সার ও কীটনাশক বিনা মূল্যে পেয়েছি।

আরও পড়ুন: জৈন্তাপুরে রবিশস্য ও ফলের মিশ্র বাগান গড়তে কাজ করছে কৃষি বিভাগ

এই বীজ বপন করে চারা তৈরি করে রোপন করে ৮০ দিন পর তরমুজ গাছে এখন প্রচুর ফল ধরেছে। গত ৬ আগস্ট প্রথমবার তরমুজ তুলেছি, কেজি প্রতি ৬০ টাকা দরে বিক্রি করে ২০ হাজার টাকার তরমুজ বিক্রয় করেছি। তরমুজ চাষী আবুল খালেক আরো জানান, আমার তরমুজ গাছে যেপরিমাণ ফল ধরেছে, তাহা বিক্রি করে এবার ২ লক্ষ টাকার অধিক টাকার তরমুজ বিক্রয় করতে পারব বলে আশাবাদ ব্যাক্ত করেন।

দেবহাটা উপজেলা উপসহকারী কৃষি অফিসার মোস্তফা মোস্তাক আহম্মেদ জানান, কুলিয়া শশাডাঙ্গায় এই তরমুজ দেখে আগামী বছর এই বিলে বাকী ঘের মালিকরা সবাই তরমুজ চাষ করে হলুদে-সবুজে ভরে দিবে এই আশাবাদ ব্যক্ত করছি। তাছাড়া আমার সহযোগিতায় টিকিট, সেকেন্দ্রা, নারিকেলি ও ঘলঘলিয়াসহ বিভিন্ন বিলের মৎস্য ঘেরের ভেড়ী বাঁধে মাচা তৈরি করে অপসিজন সুপ্রিমহানি তরমুজ চাষ করে অনেক কৃষক স্বাবলম্বী হয়েছেন।

আরও পড়ুন: সাতক্ষীরা আশাশুনি উপজেলায় ৯ হাজার ৬৯০ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা