মানহীন খাদ্যপণ্য: ৪ প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি ডিএসসিসির

Sanchoy Biswas
বাংলাবাজার রিপোর্ট
প্রকাশিত: ৫:৩৪ অপরাহ্ন, ০৯ জুলাই ২০২৬ | আপডেট: ১১:৫১ অপরাহ্ন, ০৯ জুলাই ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় মানহীন ও স্বাস্থ্যঝুঁকিপূর্ণ প্রমাণিত হওয়া খাদ্যপণ্য উৎপাদন ও বাজারজাতকরণের অভিযোগে চারটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি)। সংশ্লিষ্ট আদালত মামলাগুলো আমলে নিয়ে অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন।

গত ২ জুলাই ২০২৬ তারিখে ডিএসসিসির জনস্বাস্থ্য খাদ্য পরীক্ষাগারে পরিচালিত পরীক্ষায় কয়েকটি খাদ্যপণ্য নির্ধারিত মান অনুযায়ী উত্তীর্ণ হতে ব্যর্থ হয়। এই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩-এর ২৬, ২৭, ৩৯ ও ৪১ ধারায় ঢাকার বিশুদ্ধ খাদ্য আদালত-২-এ পৃথক চারটি মামলা দায়ের করা হয়।

আরও পড়ুন: সায়েদাবাদ টার্মিনাল পরিদর্শনে ডিএসসিসি প্রশাসক, মানিকনগরের ৮৮০ মিটার সড়ক উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন

আজ বৃহস্পতিবার (৮ জুলাই) বিশুদ্ধ খাদ্য আদালতের বিচারক ও ঢাকা স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ মাহমুদুল হক মামলাগুলো আমলে নিয়ে প্রতিটি মামলার আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আদেশ দেন।

ডিএসসিসির তথ্য অনুযায়ী, মামলাভুক্ত প্রতিষ্ঠান ও পণ্যগুলো হলো:

আরও পড়ুন: মোহাম্মদপুরে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ‘কুত্তা ফারুক’সহ গ্রেপ্তার ৭

বিদেশি প্রতিষ্ঠান ইস্ট জিবাই ইন্টারন্যাশনাল ফুড লিমিটেড-এর উৎপাদিত "ইস্ট বেকার স্লাইস ব্রেড মিল্ক জ্যাম ফিল্ড (ইনট্যাক্ট)" এবং "ইস্ট কেক পুর পিঠা (ইনট্যাক্ট)"।

বিদেশি প্রতিষ্ঠান আরবোটিং ফুড কোং লিমিটেড-এর উৎপাদিত "আর বোটিং ফুড স্লাইস ব্রেড মিল্ক জ্যাম ফিল্ড (ইনট্যাক্ট)"।

বনশ্রীর কাচ্চি সুলতান রেস্টুরেন্ট-এর বাজারজাতকৃত পানীয় "বোরহানী"।

ডিএসসিসি জানিয়েছে, ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় বিদেশি প্রতিষ্ঠান দুটির খাদ্যপণ্যে অনুমোদিত মাত্রার চেয়ে অতিরিক্ত প্রিজারভেটিভের উপস্থিতি পাওয়া গেছে, যা দীর্ঘমেয়াদে মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর ও স্বাস্থ্যঝুঁকিপূর্ণ বলে সংস্থাটি উল্লেখ করেছে।

জনস্বাস্থ্যের নিরাপত্তা ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে বাজার তদারকি, খাদ্যপণ্যের নমুনা সংগ্রহ এবং ল্যাবরেটরি পরীক্ষার কার্যক্রম চলমান রাখার কথা জানিয়েছে ডিএসসিসি। সংস্থাটি জানিয়েছে, আইন লঙ্ঘনকারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও কঠোর আইনি ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে।