আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু ‘নজরুল বর্ষ, উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ‘নজরুল বর্ষ ২০২৬-২৭’-এর উদ্বোধন করেছেন। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সচিবালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে উদ্বোধন ঘোষণা করেন তিনি। এ উপলক্ষে দেশের ৬৪ জেলা এবং নির্বাচিত ৭৪টি উপজেলায় একযোগে ‘নজরুল বর্ষ ২০২৬-২৭’-এর কার্যক্রমের সূচনা করা হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বাংলাদেশের ভূখণ্ডে জন্মগ্রহণ না করলেও তার হৃদয়ে ছিল সমগ্র বাংলাদেশ। একইভাবে বাংলাদেশের মানুষও তাকে গভীর ভালোবাসা ও শ্রদ্ধার সঙ্গে ধারণ করেছে।
আরও পড়ুন: ৩৪ কর্মকর্তাকে সহকারী সচিব পদে পদোন্নতি
তিনি জানান, ১৯১৪ সালে কিশোর বয়সে নজরুল প্রথমবার ময়মনসিংহের ত্রিশালে এসেছিলেন। সেই ঐতিহাসিক স্মৃতিকে গুরুত্ব দিয়ে ত্রিশালকে ‘নজরুল সিটি’ হিসেবে ঘোষণা করার সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ২০২৬ সালের ২৫ মে থেকে ২০২৭ সালের ২৫ মে পর্যন্ত সময়কে ‘নজরুল বর্ষ’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। বিদ্রোহ, প্রেম, বিরহ ও তারুণ্যের কবি কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্য, সংস্কৃতি, ইতিহাস ও ঐতিহ্যের এক উজ্জ্বল নাম। অন্যায় ও অবিচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের প্রেরণা হিসেবে তার সাহিত্যকর্ম আজও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক। মহান মুক্তিযুদ্ধসহ দেশের বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামেও তার কবিতা ও গান অনুপ্রেরণার উৎস হিসেবে ভূমিকা রেখেছে।
আরও পড়ুন: ঢাকার বিমানবন্দরে ৪৫ কোটি টাকার স্বর্ণ আটকে তোলপাড়
তিনি বলেন, জাতীয় কবির আদর্শ ও সৃষ্টিকে নতুন প্রজন্মের কাছে আরও গভীরভাবে পৌঁছে দিতে এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে তার জীবন ও কর্মের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতে বছরব্যাপী ‘নজরুল বর্ষ’ পালনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে সরকার এক বছরব্যাপী ‘নজরুল বর্ষ’ ঘোষণা করেছে। এর মেয়াদ চলতি বছরের ২৫ মে থেকে আগামী বছরের ২৫ মে পর্যন্ত।
এর আগে গত ২৫ মে ময়মনসিংহের ত্রিশালে জাতীয় কবির ১২৭তম জন্মবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২৫ মে ২০২৬ থেকে ২৫ মে ২০২৭ পর্যন্ত সময়কে ‘নজরুল বর্ষ’ হিসেবে ঘোষণা করেছিলেন। বৃহস্পতিবার সেই ঘোষণার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হলো।





