গুলশান বনানীর স্পা সেন্টারের নেপথ্যে জয়
গুলশান বনানীর স্পাগুলোতে চলছে রমরমা অসামাজিক কাজ। রাতের অন্ধকারে উচ্চবিত্ত পরিবারের সন্তানকে টার্গেট করে এক শ্রেনীর দালাল চক্র। যারা এসব স্পা ও ক্লাবগুলোতে তরুনীদের সরবরাহ করে থাকে। বিভিন্ন পার্টি ও অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে সেই চক্রের চলে এই বাণিজ্য। যেসব বাণিজ্যের আড়ালে থাকে ভয়াবহ মাদকের সরবরাহ। সরেজমিনে খোজ নিয়ে জানা যায়, এসব চক্রের মূলহোতা জয়। কে এই জয়? তার আমলনামা খুঁজতে গিয়ে বেড়িয়ে আসে অন্ধকার জগতের সকল ভয়ংকর অপরাধের তথ্য। গুলশানের অসামাজিক কাজের মূলহোতা কিং তাজুর সেকেন্ড হ্যান্ড হিসেবে কাজ করতো এই জয়। র্যাবের অভিযানে তাজুর অপরাধ জগতের পতন ঘটলে নিয়ন্ত্রণ নেয় জয়। গুলশানের
রোড নং ১৩০- হাউজ নং ২৮, লিফটের ৩ এ পাপ্পু, খুশবু রেস্তোরাঁয় ৪ তলার আজাদ, রোড নং ৪১ হাউজ নং ৭/এ- এর সহিদ, রোড নং ২, হাউজ নং ২৬ ২য় তলার জনি। এই চক্রের সদস্যদের কাছে নারী সরবরাহ করে থাকে জয়। দুবাইতে বিভিন্ন হোটেল ও ডিস্কো ক্লাবে নারী পাচারেও জড়িত জয়। এছাড়াও বিভিন্ন ক্লাবে ম্যাজিক মাশরুম, কেকোন পেস্টি কেক অনুষ্ঠানগুলোতে সরবরাহ করে থাকে। জয় এতোটাই চতুর যে, নিজের অপরাধ আড়াল করতে ছদ্মবেশে বনানীর প্ল্যান-বি নামক একটি বারে কর্মরত আছে।
আরও পড়ুন: মানবাধিকারের আড়ালে চাঁদাবাজি: নতুন খোলসে আবারও সক্রিয় সামস চক্র
এই বিষয়ে দোলা নামের এক তরুনী জানায়, জয় অনেক ভয়ংকর ছেলে। তার সাথে অপরাধ জগতের অনেকের সক্ষতা আছে। রাজধানীর গুলশান ও বনানীতে স্পা, ক্লাব ও বারে নারী সরবরাহের বিষয়ে ডিএমপির ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা বলেন, এদের বিষয়ে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী সজাগ আছে। সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানান তিনি।





