আবারও ঊর্ধ্বমুখী বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম
বিশ্ববাজারে আবারও ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে স্বর্ণের দাম। মার্কিন ডলারের দুর্বলতার প্রভাবে বুধবার (২৯ জুলাই) আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যবান এই ধাতুর দাম সামান্য বৃদ্ধি পেয়েছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের (ফেড) সুদের হার-সংক্রান্ত সিদ্ধান্তের দিকেও গভীর নজর রাখছেন বিনিয়োগকারীরা।
রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গ্রিনিচ মান সময় সকাল ৬টা ৫৬ মিনিট পর্যন্ত স্পট গোল্ডের দাম শূন্য দশমিক ৩ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪,০৪০ দশমিক ৬৩ ডলারে পৌঁছেছে।
আরও পড়ুন: জুলাইয়ের ২৫ দিনেই রেমিট্যান্স ২২৯ কোটি ডলার, প্রবৃদ্ধি ২০.৬ শতাংশ
অন্যদিকে, আগস্ট মাসে সরবরাহযোগ্য যুক্তরাষ্ট্রের স্বর্ণের ফিউচার্সের দাম প্রায় অপরিবর্তিত থেকে প্রতি আউন্স ৪,০৩৮ দশমিক ৯০ ডলারে লেনদেন হয়েছে।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন ডলারের মূল্য কমে গেলে অন্যান্য মুদ্রার ক্রেতাদের জন্য স্বর্ণ তুলনামূলকভাবে সাশ্রয়ী হয়ে ওঠে। ফলে স্বর্ণের চাহিদা বাড়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়, যা দামের ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।
আরও পড়ুন: ২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসে ১,৩৮৪ কোটি টাকার বীমা দাবি নিষ্পত্তি করেছে মেটলাইফ বাংলাদেশ
এদিকে, বাজারের প্রধান নজর এখন ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার-সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত এবং মূল্যস্ফীতি নিয়ে ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনার দিকে। ফেডের চেয়ারম্যানের বক্তব্য বিনিয়োগকারীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ডলারের দুর্বলতা স্বর্ণের দামকে আপাতত সহায়তা করলেও আগামী দিনে মূল্যবান ধাতুটির দামের গতিপথ মূলত নির্ভর করবে ফেডের সুদের হার-সংক্রান্ত নীতি এবং ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক অবস্থান সম্পর্কে দেওয়া ইঙ্গিতের ওপর।
আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের এই মূল্য পরিবর্তনের প্রভাব ভবিষ্যতে বাংলাদেশের স্বর্ণবাজারেও পড়তে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। তবে স্থানীয় বাজারে দামের পরিবর্তন নির্ভর করবে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)-এর পরবর্তী মূল্য নির্ধারণের ওপর।





