ঢাবি ক্যাম্পাসের পাঁচ স্থানে ককটেল বিস্ফোরণ, আটক ২
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাসের অন্তত পাঁচটি স্থানে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। রোববার (৮ নভেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে এসব বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। এতে ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
এ ঘটনায় টিএসসি এলাকায় বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পালানোর চেষ্টাকালে দুই ব্যক্তিকে আটক করেন শিক্ষার্থী ও স্থানীয় লোকজন। পরে তাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল টিমের কাছে হস্তান্তর করা হয়। সেখান থেকে তাদের শাহবাগ থানা-পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের পাশে, উপাচার্য চত্বর, নীলক্ষেতসংলগ্ন মুক্তি ও গণতন্ত্র তোরণ, ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) এবং নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনের সামনে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সন্ধ্যায় টিএসসি এলাকায় পরপর কয়েকটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। এ সময় দুই ব্যক্তিকে বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পালানোর চেষ্টা করতে দেখা যায়। পরে মেট্রোরেল-সংলগ্ন এলাকা দিয়ে পালানোর সময় উপস্থিত শিক্ষার্থী ও স্থানীয় লোকজন তাদের আটক করেন।
আরও পড়ুন: স্কুল-কলেজে মাদক ও ইভটিজিংয়ের বিরুদ্ধে কঠোর নির্দেশনা মাউশির
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের দিক থেকে টিএসসি এলাকায় ককটেল নিক্ষেপ করা হয়ে থাকতে পারে। তবে বিস্ফোরণের সঙ্গে কারা জড়িত, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
এ ছাড়া জগন্নাথ হলের কাছাকাছি এলাকাতেও বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে বলে জানা গেছে। একই সময়ে শাহবাগ ও বাংলা একাডেমি এলাকাতেও বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়ার খবর পাওয়া যায়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মো. ইসরাফিল প্রাং জানান, টিএসসি এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণের পর শিক্ষার্থীরা দুজনকে আটক করে প্রক্টরিয়াল টিমের কাছে হস্তান্তর করেন। পরে তাদের প্রক্টর কার্যালয় থেকে শাহবাগ থানা-পুলিশের কাছে দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও জানান, ঘটনার প্রকৃত কারণ ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে ক্যাম্পাসের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করা হচ্ছে।





