প্রশিক্ষণ নিতে পাকিস্তান যাচ্ছেন সরকারের উচ্চপদস্থ ৩৪ কর্মকর্তা

Sanchoy Biswas
বাংলাবাজার রিপোর্ট
প্রকাশিত: ৯:৪২ অপরাহ্ন, ০৮ নভেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ৯:৪২ অপরাহ্ন, ০৮ নভেম্বর ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

পাকিস্তানের লাহোরে দুই সপ্তাহব্যাপী এক্সিকিউটিভ লিডারশিপ ট্রেনিং প্রোগ্রামে অংশ নিতে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের (বিসিএস) ৩৪ জন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ঢাকা ছেড়েছেন। প্রতিনিধিদলে অতিরিক্ত সচিব ও যুগ্ম সচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তারা রয়েছেন।

ঢাকায় অবস্থিত পাকিস্তান হাইকমিশনের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন: মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগ: লটারিতে প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত ৩০০ জন

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কর্মকর্তাদের বিদায় জানাতে উপস্থিত ছিলেন ঢাকায় নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার।

এর আগে প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী কর্মকর্তাদের সম্মানে নৈশভোজের আয়োজন করেন পাকিস্তানের হাইকমিশনার। অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, প্রাতিষ্ঠানিক সম্পৃক্ততা, পেশাগত সহযোগিতা এবং জনগণের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগের মাধ্যমে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারে এ কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আরও পড়ুন: রাজনৈতিক সমর্থন ব্যালটে দেখাবেন, অফিসে নয়: কর্মকর্তাদের প্রধানমন্ত্রী

ইমরান হায়দার আরও বলেন, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের নেতৃত্ব দুই দেশের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক এবং জনপ্রশাসনে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়াতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। শিক্ষা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, বাণিজ্য, সংস্কৃতি, গণমাধ্যম, জলবায়ু পরিবর্তন এবং ডিজিটাল গভর্ন্যান্সসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা সম্প্রসারণের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে।

দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক ও পারিবারিক বন্ধনের কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে পাকিস্তান-বাংলাদেশ ‘নলেজ করিডর’-এর বিষয়টিও তুলে ধরা হয়। ২০২৫ সালের আগস্টে ঢাকা সফরের সময় পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী সিনেটর মুহাম্মদ ইসহাক দার এ করিডর চালুর ঘোষণা দিয়েছিলেন।

পাকিস্তানের হাইকমিশনার জানান, ২০২৬ সালে ১৭০ জন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী পাকিস্তানের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তি হয়েছেন। আরও ২০ জন শিক্ষার্থী শিগগিরই সেখানে যোগ দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

এ ছাড়া চলতি বছরের শুরুতে প্রথম ব্যাচে ১২ জন জ্যেষ্ঠ বাংলাদেশি সিভিল সার্ভেন্ট সফলভাবে এক্সিকিউটিভ লিডারশিপ ট্রেনিং প্রোগ্রাম সম্পন্ন করেন। বর্তমান প্রতিনিধিদলটি এ কর্মসূচির দ্বিতীয় ব্যাচ হিসেবে অংশ নিচ্ছে। দুই দেশের মধ্যে ক্রমবর্ধমান প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতার অংশ হিসেবেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।