পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলন সামলাতে জরুরি বৈঠকে বসছেন প্রধানমন্ত্রী

Sanchoy Biswas
বাংলাবাজার রিপোর্ট
প্রকাশিত: ৬:৩৫ অপরাহ্ন, ০১ নভেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ৬:৫২ অপরাহ্ন, ০১ নভেম্বর ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের চলমান বিক্ষোভ ও অসন্তোষ মোকাবিলায় করণীয় নির্ধারণ করতে জরুরি বৈঠকে বসছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রোববার (১ নভেম্বর) সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এতে অর্থ, স্বরাষ্ট্র ও শ্রম মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীসহ ৬ থেকে ৭ জন মন্ত্রী এবং উপদেষ্টা মাহদী আমিনের অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, শ্রমিকদের চলমান আন্দোলন নিয়ন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী দুই দিন আগেই প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছিলেন। তবে শ্রমিক প্রতিনিধিদের নাম চূড়ান্ত করতে বিলম্ব হওয়ায় সংশ্লিষ্ট প্রক্রিয়ায় কিছুটা ধীরগতি দেখা দেয়।

আরও পড়ুন: বাদাম বিক্রির জীবন থেকে স্কুলের আঙিনায় ৮ বছরের হাসান, পাশে দাঁড়ালেন ডিসি ফরিদা

এর আগে রোববার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে পোশাকশ্রমিকদের জন্য নতুন একটি মজুরি বোর্ড গঠনের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়। বোর্ডের চেয়ারম্যান শেখ আশফাকুর রহমানকে মালিক ও শ্রমিক প্রতিনিধি এবং স্বাধীন সদস্যদের সঙ্গে সমন্বয় করে নতুন মজুরি কাঠামো নির্ধারণের প্রক্রিয়া শুরুর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী জানান, শ্রমিকদের মূল দাবি বিবেচনায় নিয়ে মজুরি বোর্ড গঠন করা হয়েছে। একই সঙ্গে শ্রমিকদের রাস্তায় বিক্ষোভ বন্ধ করে অবিলম্বে কলকারখানা ও নিজ নিজ কর্মস্থলে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

আরও পড়ুন: শ্রমিক বিক্ষোভের মধ্যে শ্রমমন্ত্রীর বিদেশ সফর বাতিল

মজুরি বোর্ড গঠনের ঘোষণা দেওয়া হলেও কয়েকটি কারখানায় ছুটি ঘোষণা এবং শ্রমিকদের আন্দোলনে উসকে দেওয়ার পেছনে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র রয়েছে বলে মনে করছে সরকার।

সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শ্রমমন্ত্রী অভিযোগ করেন, নিষিদ্ধঘোষিত একটি ছাত্রসংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক শ্রমিক পরিচয়ে আন্দোলনে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির উদ্দেশ্যে কয়েকটি রাজনৈতিক দল পরিকল্পিতভাবে শ্রমিকদের ব্যবহার করছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

পোশাকশ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির দাবি, নতুন মজুরি বোর্ডের কার্যক্রম এবং চলমান বিক্ষোভের পরিস্থিতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। বৈঠকে শ্রমিক অসন্তোষ নিরসন ও শিল্পকারখানায় স্বাভাবিক উৎপাদন কার্যক্রম ফিরিয়ে আনার বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসতে পারে।