তাহসিফের মৃত্যুতে বাবার মামলা, গ্রেপ্তার দেখানো হলো বন্ধু দ্বীপকে

Sadek Ali
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ১০:৫৬ পূর্বাহ্ন, ৩১ অক্টোবর ২০২৬ | আপডেট: ১১:০৮ পূর্বাহ্ন, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

 বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট কে এম তাহসিফ সাউরির মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় রাজধানীর উত্তরখান থানায় মামলা হয়েছে। তাঁর বাবা এনায়েতুল করিম বাদী হয়ে মামলাটি করেন। এ ঘটনায় তাহসিফের বন্ধু ও ব্যবসায়িক অংশীদার শাহরিয়ার রেজা দীপকে গ্রেপ্তারের পর নৌ পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) দীপকে আদালতে হাজির করার কথা রয়েছে বলে জানিয়েছে পিবিআই সদর দপ্তর। সংস্থাটির সূত্র জানায়, শনিবার মধ্যরাতে তাঁকে নৌ পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরিবারের পক্ষ থেকে আগ্রহ না থাকায় এ ঘটনায় নৌ পুলিশ অপমৃত্যুর মামলা করবে বলে জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন: এইচএসসির ফল পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন শুরু ১ নভেম্বর, কীভাবে করবেন

এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের বাবর রোডের বি ব্লকের একটি বাসার তৃতীয় তলা থেকে দীপকে হেফাজতে নেয় পিবিআই। তিনি ওই এলাকার বাসিন্দা সেলিম রেজার ছেলে। নিখোঁজ হওয়ার আগে তাহসিফের সঙ্গে প্রায় ছয় ঘণ্টা সময় কাটিয়েছিলেন দীপ। এ কারণে ঘটনার বিষয়ে বিস্তারিত জানতে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে তদন্ত সংস্থাটি।

শুক্রবার পিবিআইয়ের একটি দল দীপকে নিয়ে টঙ্গীর মাজার বস্তি এলাকায় যায়। তুরাগ নদসংলগ্ন ২৯ নম্বর সীমানা পিলারের আশপাশে কী ঘটেছিল, তা জানতে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সেখান থেকে নম্বরপ্লেটবিহীন কালো রঙের একটি সুজুকি জিক্সার ১৫০ মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।

আরও পড়ুন: ভারত থেকে আমদানি করা চালে ‘ক্যান্সার সৃষ্টিকারী’ উপাদান, বিতরণ সাময়িক স্থগিত

পিবিআইয়ের জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার রাতের বিষয়ে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেন দীপ। তাঁর দাবি, সেদিন রাতে তিনি ও তাহসিফ তুরাগ নদসংলগ্ন মাজার বস্তি এলাকায় গিয়েছিলেন। সেখানে দুজনের কথা বলার সময় কয়েকজন তাঁদের ধাওয়া করেন। ধাওয়াকারীদের মধ্যে দুজনের পরনে পুলিশের পোশাক ছিল বলেও দাবি করেন তিনি।

দীপের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই ব্যক্তিদের দেখে তাহসিফ দৌড় দেন এবং একপর্যায়ে তুরাগ নদে ঝাঁপ দেন। অন্যদিকে দীপ বিআইডব্লিউটিএর ২৯ নম্বর সীমানা পিলারের আড়ালে লুকিয়ে পড়েন। পরে সেখান থেকে চলে যান তিনি।