বাঁশ ফেলে তিতুমীর কলেজের সামনের সড়ক অবরোধ

Sanchoy Biswas
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ২:০৮ অপরাহ্ন, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৫ | আপডেট: ৫:৫৩ অপরাহ্ন, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
বাঁশ ফেলে তিতুমীর কলেজের সামনের সড়ক অবরোধ। ছবিঃ সংগৃহীত
বাঁশ ফেলে তিতুমীর কলেজের সামনের সড়ক অবরোধ। ছবিঃ সংগৃহীত

সরকারি তিতুমীর কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয় ঘোষণার দাবিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির সামনের সড়ক অবরোধ করেছেন শিক্ষার্থীরা। । এতে করে বন্ধ হয়ে গেছে লিংক রোডের উভয় পাশের সড়কের যান চলাচল।

সোমবার ( ৩ ফেব্রুয়ারি) ১২টা ২০ মিনিটের দিকে এই অবরোধ শুরু হয়। শিক্ষার্থীরা সড়কের উভয় পাশে বাঁশ দিয়ে অবরোধ তৈরি করে অবস্থান নিয়েছেন। এ নিয়ে টানা  দিনের মতো কলেজের সামনের সড়ক অবরোধ করলেন শিক্ষার্থীরা।

আরও পড়ুন: ঢাবিতে আরবি ভাষা শিক্ষা কোর্সের উন্নয়নে জর্ডানের বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সহযোগিতার আলোচনা

সরেজমিনে দেখা গেছে, তিতুমীর কলেজের মূল ফটকের সামনেই ৬ষ্ঠ দিনের মতো অনশন করছেন ছয় শিক্ষার্থী। তার সামনে শিক্ষার্থীরা গোল হয়ে সড়কের যান চলাচল বন্ধ করে দিয়েছেন। এসময় তিতুমীর বিশ্ববিদ্যালয় করার দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা যায় তাদের। 

অন্যদিকে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বলেন, তারা আপাতত কলেজের সামনের সড়ক অবরোধ করছেন। পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অতিশিগগির শুরু করবেন তারা। অ্যাম্বুলেন্সসহ অন্যান্য জরুরি পরিষেবার যানবাহন তারা যেতে দেবেন। কিন্তু অন্য কোনো যানবাহন যেতে দেবেন না।

আরও পড়ুন: ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়কে শহীদ জিয়ার মূল লক্ষ্য ও আদর্শে পুনঃপ্রতিষ্ঠায় কাজ চলছে: উপাচার্য

গতকাল রোববার বিকেলে শিক্ষা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বলেন, ‘সময় বেঁধে দিয়ে দাবির মুখে কোনো সিদ্ধান্ত নেব না। সময়সীমা বেঁধে দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় করার দাবি যৌক্তিক নয়।’

শিক্ষা উপদেষ্টার এই মন্তব্য প্রত্যাখ্যান করে সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে মহাখালীতে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করেন শিক্ষার্থীরা। এরপর রাতে শিক্ষার্থীরা সংবাদ সম্মেলন করে আজকের কর্মসূচি ঘোষণা করেন। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, তিতুমীর কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয় ঘোষণার দাবিতে সোমবার বেলা ১১ থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত ‘বারাসাত ব্যারিকেড টু ঢাকা নর্থ সিটি’ কর্মসূচি পালন করবেন শিক্ষার্থীরা। 

এ কর্মসূচির আওতাভুক্ত থাকবে মহাখালী, আমতলী, রেলগেট ও গুলশান লিংক রোড। পাশাপাশি ‘তিতুমীর বিশ্ববিদ্যালয়’-এর রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রকাশসহ তিন দফা দাবি জানানো হয় সংবাদ সম্মেলনে।