এসইউবিতে খাদ্য ব্যবস্থায় যুব নেতৃত্ব প্রশিক্ষণ সফলভাবে শেষ
স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের (এসইউবি) স্কলার্স লাউঞ্জে অনুষ্ঠিত হয়েছে “ফুড সিস্টেমস ইউথ লিডারশিপ ট্রেনিং”-এর সমাপনী অনুষ্ঠান। রবিবার (১২ অক্টোবর) তিন দিনব্যাপী ট্রেনিং শেষে এই সমাপনী অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত তরুণ নেতৃত্ব, শিক্ষাবিদ ও পরিবর্তনসাধকরা বাংলাদেশের টেকসই, স্থিতিশীল ও পুষ্টিসম্মত খাদ্য ব্যবস্থা গঠনের অঙ্গীকার উদযাপন করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতার হোসেন খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. নওজিয়া ইয়াসমিন এবং রেজিস্ট্রার ড. আহমেদ হোসেন।
আরও পড়ুন: ঢাবির ফলাফল ওয়েবসাইটে ম্যালওয়্যার আক্রমণের অভিযোগ, তদন্তে আইসিটি বিভাগ
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন— খাদ্য মন্ত্রণালয়ের খাদ্য পরিকল্পনা ও পর্যবেক্ষণ ইউনিটের গবেষণা পরিচালক (পুষ্টি) মোস্তফা ফারুক আল বান্না, কৃষি মন্ত্রণালয়ের বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব অ্যাপ্লাইড নিউট্রিশন রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং (বিআইআরটিএএন)-এর প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক, গ্রিন ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগ বিভাগের চেয়ারপারসন ও সহযোগী অধ্যাপক ড. হাবিব মুহাম্মদ আলী, গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ইমপ্রুভড নিউট্রিশন (গেইন)-এর কনসালট্যান্ট, যুব ও কিশোর পুষ্টি জাওয়াদ আলম।
অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন স্টেট ইউনিভার্সিটির ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড নিউট্রিশন সায়েন্স বিভাগের চেয়ারপারসন ও সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারজানা সুলতানা বারী।
আরও পড়ুন: ঢাবি-চীনের এসসিএসআইও’র মধ্যে সমঝোতা স্মারক সই, সামুদ্রিক গবেষণায় জোরদার সহযোগিতা
সমাপনী অনুষ্ঠানে সকল সম্মানিত অতিথি, আয়োজক প্রতিষ্ঠান—বিশেষ করে গেইন ও সান ইয়ুথ নেটওয়ার্ক বাংলাদেশ এবং অংশগ্রহণকারী তরুণ নেতৃত্বদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানানো হয়। তাঁদের উদ্দীপনা ও সহযোগিতায় এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচি এক স্মরণীয় শিক্ষণ, নেতৃত্ব ও সহযোগিতার মঞ্চে পরিণত হয়েছে।
তিন দিনব্যাপী এই ট্রেনিংয়ে ফেসিলিটেটর হিসেবে ছিলেন শানজানা আফরিন, মিনহাজুল ইসলাম বাপ্পী, লামিয়া তাসনীম এবং গাজী আশিকুল ইসলাম আশিক।
সমাপনী বক্তব্যে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের পুষ্টি পরিস্থিতির উন্নয়ন একটি ধারাবাহিক ও সচেতন প্রক্রিয়া, যা গড়ে তুলতে প্রয়োজন সম্মিলিত প্রচেষ্টা, সচেতনতা ও অধ্যবসায়। তরুণরাই এই পরিবর্তনের মূল চালিকা শক্তি — যারা পুষ্টি সচেতনতা ছড়িয়ে দিচ্ছে, নেতৃত্ব দিচ্ছে এবং জাতীয় ও বৈশ্বিক পুষ্টি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের পথে অগ্রসর হচ্ছে।
বক্তারা আরও জানান, যুব নেতৃত্বাধীন এই কর্মসূচি প্রকৃত অর্থে সক্ষমতা বিকাশের প্রতীক, যেখানে তরুণরা তরুণদের অনুপ্রাণিত করছে, নেতৃত্ব দিচ্ছে এবং পরিবর্তনের সূচনা করছে।
একসাথে এগিয়ে চলি—উন্নত খাদ্য ব্যবস্থার জন্য, সুস্থ ভবিষ্যতের পথে।





