ঢাবিতে স্থাপিত হচ্ছে টেকনোলজি অ্যান্ড ইনোভেশন সাপোর্ট সেন্টার

Sanchoy Biswas
বাংলাবাজার রিপোর্ট
প্রকাশিত: ৫:৪৩ অপরাহ্ন, ২২ জুন ২০২৬ | আপডেট: ৩:১০ পূর্বাহ্ন, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা, উদ্ভাবন এবং মেধাসম্পদের কার্যকর ব্যবহারের লক্ষ্যে শিগগিরই একটি ‘টেকনোলজি অ্যান্ড ইনোভেশন সাপোর্ট সেন্টার (টিআইএসসি)’ স্থাপন করা হচ্ছে। এ লক্ষ্যে সোমবার (২২ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সভাকক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তরের (ডিপিডিটি) মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম।

আরও পড়ুন: ঢাবির ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি অনুষদের ভারপ্রাপ্ত ডিন অধ্যাপক নুরুল আমিন

সমঝোতা স্মারকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে স্বাক্ষর করেন কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী এবং পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তরের পক্ষে স্বাক্ষর করেন মহাপরিচালক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী, ফার্মেসি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. সেলিম রেজা, সংশ্লিষ্ট বিভাগের চেয়ারম্যানবৃন্দ এবং ডিপিডিটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

আরও পড়ুন: চুয়েটে তালা ভেঙে কার্যালয়ে প্রবেশ করলেন নতুন উপাচার্য

সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী, ডিপিডিটির সমন্বয়ে পরিচালিত জাতীয় নেটওয়ার্কের আওতায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি টেকনোলজি অ্যান্ড ইনোভেশন সাপোর্ট সেন্টার প্রতিষ্ঠা করা হবে। এই কেন্দ্র গবেষক, উদ্ভাবক ও শিক্ষার্থীদের পেটেন্ট ডেটাবেস এবং বিভিন্ন কারিগরি তথ্যসূত্র অনুসন্ধানে সহায়তা প্রদান করবে। পাশাপাশি শিল্পপ্রতিষ্ঠান, বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের কারিগরি সমস্যা চিহ্নিতকরণ, প্রযুক্তিগত তথ্য সরবরাহ এবং মেধাস্বত্ব ও পেটেন্ট বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

অনুষ্ঠানে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের জন্য ডিপিডিটি কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, এই উদ্যোগ ইন্ডাস্ট্রি, একাডেমিয়া এবং সরকারের মধ্যে সমন্বয় ও সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করবে। একই সঙ্গে টেকনোলজি অ্যান্ড ইনোভেশন সাপোর্ট সেন্টার বিশ্বব্যাপী গবেষকদের জন্য একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

দেশের ওষুধ শিল্পের উন্নয়ন এবং মানবকল্যাণে গবেষণাভিত্তিক উদ্ভাবনকে এগিয়ে নিতে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বানও জানান তিনি।