যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের নতুন সংঘর্ষ
বিশ্ববাজারে আবারও বাড়লো তেলের দাম
হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের নতুন সংঘর্ষের জেরে আন্তর্জাতিক বাজারে আবারও লাফিয়ে বেড়েছে অপরিশোধিত তেলের দাম। এতে দুই দেশের নাজুক যুদ্ধবিরতি নতুন করে চাপে পড়েছে।
শুক্রবার আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম একপর্যায়ে প্রতি ব্যারেল ১০৩ ডলারের বেশি উঠে যায়। পরে কিছুটা কমলেও বাজারে অস্থিরতা অব্যাহত রয়েছে।
আরও পড়ুন: হরমুজ প্রণালিতে পাল্টাপাল্টি হামলা ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের
বাজার বিশ্লেষকদের তথ্য অনুযায়ী, ব্রেন্ট ক্রুডের দাম দিনের সর্বোচ্চ পর্যায়ে ১০৩ দশমিক ৭০ ডলারে পৌঁছায়। পরে এশিয়ার বাজারে কিছুটা কমে প্রতি ব্যারেল ১০১ দশমিক ১২ ডলারে লেনদেন হয়।
যুদ্ধ শুরুর আগের তুলনায় আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম প্রায় ৪০ শতাংশ বেড়েছে বলে জানা গেছে।
আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধ শেষ করতে প্রস্তুত ইরান: প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানায়, হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন নৌবাহিনীর তিনটি ডেস্ট্রয়ার লক্ষ্য করে ইরান ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন ও ছোট নৌযান দিয়ে হামলা চালায়।
এর জবাবে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে পাল্টা হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করেছে ওয়াশিংটন।
অন্যদিকে ইরানের খাতাম আল-আম্বিয়া সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টার্স অভিযোগ করেছে, যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে ইরানি তেলবাহী জাহাজে হামলা চালিয়েছে।
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি রুট হরমুজ প্রণালি দিয়ে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ তেল পরিবহন করা হয়। চলমান উত্তেজনায় বড় তেলবাহী জাহাজ চলাচল প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছে।
বাজারে প্রতিদিন প্রায় ১ কোটি ৪৫ লাখ ব্যারেল তেলের সরবরাহ ঘাটতির আশঙ্কা তৈরি হওয়ায় দাম বাড়ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার প্রভাব পড়েছে এশিয়ার শেয়ারবাজারেও।
* জাপানের নিক্কেই ২২৫
* দক্ষিণ কোরিয়ার কসপি
* হংকংয়ের হ্যাংসেং সূচক
সবগুলোই এক শতাংশের বেশি কমেছে।
একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াল স্ট্রিটেও দরপতন দেখা গেছে। এসঅ্যান্ডপি ৫০০ সূচক আগের দিনের রেকর্ড উচ্চতা থেকে নেমে গেছে।





