রমজানের শুভেচ্ছা জানালেন জো বাইডেন

SM Shamim
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ৬:২৩ অপরাহ্ন, ১১ মার্চ ২০২৪ | আপডেট: ১২:২৩ অপরাহ্ন, ১১ মার্চ ২০২৪
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে বিশ্বজুড়ে মুসলিম সম্প্রদায়কে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। রোববার এক বার্তায় তিনি এ শুভেচ্ছা জানান।

ওই বার্তায় ইসলামের পবিত্র রমজান মাসের শুরু উপলক্ষে তিনি এবং তার স্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে সারা বিশ্বের মুসলমানদের শুভেচ্ছা জানান।

আরও পড়ুন: আন্দামান সাগরে নৌকাডুবি: ২৫০ যাত্রী নিখোঁজ, বাংলাদেশিসহ রোহিঙ্গা রয়েছেন

এ সময় তিনি পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র অন্তত ছয় সপ্তাহের জন্য অবিলম্বে এবং টেকসই যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠার জন্য অবিরাম কাজ চালিয়ে যাবে। জিম্মিদের মুক্তি দেয় এমন একটি চুক্তির অংশ হিসেবে কমপক্ষে ছয় সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিতে অবিরাম কাজ চালিয়ে যাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। আমরা স্থিতিশীলতা, নিরাপত্তা এবং শান্তির দীর্ঘমেয়াদি ভবিষ্যতের দিকেও কাজ চালিয়ে যাব।

বাইডেন বলেন, এতে ফিলিস্তিনি ও ইসরায়েলিদের সমানভাবে স্বাধীনতা, মর্যাদা, নিরাপত্তা এবং সমৃদ্ধির অংশীদারত্ব নিশ্চিতের সমাধান হবে। এটিই স্থায়ী শান্তির একমাত্র পথ।

আরও পড়ুন: থাইল্যান্ডে নববর্ষ উৎসবে সড়ক দুর্ঘটনা, নিহত ১৫৪

তিনি বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র স্থল, আকাশ ও সমুদ্রপথে গাজায় আরও মানবিক সহায়তা দিতে আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টার নেতৃত্ব দেবে। এ সপ্তাহের শুরুতে, আমি গাজার উপকূলে একটি অস্থায়ী ঘাট স্থাপনের জন্য আমাদের সামরিক বাহিনীকে একটি জরুরি মিশনের নেতৃত্ব দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলাম যার মাধ্যমে সাহায্যের বড় চালান সরবরাহ করা যেতে পারে।

বাইডেন বলেন, আমরা জর্ডানসহ আমাদের আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে সমন্বয় করে বিমান থেকে খাবার বিতরণ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি। আমরা স্থলপথে সাহায্য বাড়ানোর জন্য ইসরায়েলের সঙ্গে কাজ চালিয়ে যাব। এটি আরও বেশি লোককে সহায়তা পেতে সাহায্য করবে।

তিনি বলেন, গাজার যুদ্ধ ফিলিস্তিনি জনগণকে ভয়ানক দুর্ভোগ দিয়েছে। ৩০ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। তাদের বেশিরভাগই বেসামরিক নাগরিক। নিহতদের মধ্যে হাজার হাজার শিশু রয়েছে। তাদের কেউ কেউ আমেরিকান মুসলমান পরিবারের সদস্য। যারা প্রিয়জন হারিয়েছেন তাদের প্রতি গভীরভাবে শোকাহত।

তিনি আরও বলেন, যুদ্ধের কারণে প্রায় ২০ লাখ ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুত হয়েছে। অনেকেরই খাদ্য, পানি, ওষুধ এবং আশ্রয় জরুরি। যেহেতু মুসলমানরা রমজানের ইবাদত শুরু করবে। এতে ফিলিস্তিনি জনগণের দুর্দশা অনেকের মনের সামনে আসবে।সূত্র: এনডিটিভি